4 Answers

Garnier man acno fight ফেসওয়াস+ক্লিন্ডাসিন প্লাস জেল ব্যবহার করুন প্রতিদিন দুইবার।তিনটা জেল ব্যবহার করুন।আশা করি এতে উপকার পাবেন ইনশাআল্লাহ।

2807 views

নিয়মিত ত্বক পরিস্কার করে ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ভাল ব্রান্ডের ফেসওয়াস ব্যবহার করতে পারেন।মুখের কোমলতা ফিরিয়ে আনতে সপ্তাহে একদিন স্ক্রাব করুন।ত্বকে ব্রণ বা এলার্জি সমস্যা থাকলে ভাল স্কীন স্পেশালিস্ট এর সাথে যোগাযোগ করুন। ব্রণে হাত লাগাবেন না বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।সাধারনত ব্রণের দাগ এমনি এমনি সেরে যায়।যদি খুব বেশি ব্রণের দাগ দেখা দেয় তবে সেক্ষেত্রে ডাবের পানি ব্যবহার করূন।প্রতিদিন ২ বার ডাবের পানিতে তুলা ভিজিয়ে মুখ মুছে নিন।১০ মিনিট অপেক্ষা করুন তারপর স্বাভাবিক পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।নিয়মিত ব্যবহার করলে তফাৎটা নিজেই অনুভব করবেন।ভাজাপোড়া ও তেল জাতীয় খাবার পরিহার করুন।বেশি বেশি পানি পান করুন।চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করুন ও নিয়মিত ঘুমান।

2807 views

ব্রণের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত না হলেও সাধারণত দেখা যায় হজমের গোলমাল, সুরাপান, বয়ঃসন্ধিকালে কিংবা অন্যান্য কারণে অনেকের মুখে ব্রণ হয়।আবার অনেকেই বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ব্রনের অনেকগূলো কারণের ভিতর বংশগত কারণ একটি অন্যতম কারণ। প্রোপাইনি ব্যাকটেরিয়াম একনিস নামক এক ধরনের জীবাণু স্বাভাবিকভাবেই লোমের গোড়াতে থাকে। এন্ড্রোজেন হরমনের প্রভাবে সেবাম-এর নিঃসরণ ( মাথা, মুখ, ইত্যাদি জায়গায় তেলতেলে ভাব ) বেরে যায় এবং লোমের গোড়াতে উপস্থিত জীবাণু সেবাম থেকে ফ্রী ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে। অ্যাসিডের কারণে লোমের গোড়ায় প্রদাহের সৃষ্টি হয় এবং লোমের গোড়ায় কেরাটিন জমা হয়ে ব্রণ হতে পারে।

দুর করার ঔষধ হচ্ছে:-ক্লীনডাসিন প্লাস ব্যাবহার করুন।

এবং ছাফি সেবন করুন।

2807 views

নিউইয়র্কের ডার্মাটোলজিস্ট এবং স্কিন রুলস বইয়ের লেখক ডেবরা জেলিমান জানান, এসপিরিন হলো এক ধরনের সলিসিলিক এসিড। একনি বা ব্রণ দূর করার পণ্যগুলোতে এই উপাদান ব্যবহার করা হয়। এসপিরিন গুঁড়ো করে পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তুলার মধ্যে লাগিয়ে এই পেস্ট সরাসরি ব্রণের মধ্যে ১০ মিনিট রাখুন। এর পর উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।  


চা-গাছের তেল


চা-গাছের তেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-সেপটিক ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান। কয়েক ফোঁটা চা-গাছের তেল তুলার মধ্যে লাগিয়ে খুব নরমভাবে ব্রণ ও দাগে লাগান। দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যে ব্রণ সেরে উঠেছে।  


বরফ


ড. জেলিমান জানান, গোড়ালি মচকে গেলে এর ফোলা কমাতে বরফ কাজ করে। এটি ব্রণের প্রদাহ কমাতেও বেশ কার্যকর। একটি বরফের ছোট টুকরো পরিষ্কার কাপড়ের মধ্যে নিয়ে এক মিনিটের জন্য ব্রণের মধ্যে রাখুন। এই পদ্ধতি ব্রণের লাল হওয়া ও ফোলাভাব কমাবে।


লেবুর রস


লেবুর রসের মধ্যে রয়েছে সাইট্রিক এসিড। রয়েছে এল-এসকোরোবিক এসিড, যা প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্টের উৎস। একটি তুলোর টুকরোর মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে ব্রণে লাগান। সারা রাত রাখুন। ব্রন দূর করতে এই পদ্ধতিও বেশ কার্যকর।

রসুন

রসুনের গন্ধ হয়তো আপনার বিরক্ত লাগতে পারে। কিন্তু এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান; যা ব্রণ দূর করে। রসুন দেহের বিভিন্ন রোগ-প্রতিরোধেও উপকারী। এটি ক্যানসার প্রতিরোধ করে। রসুনে রয়েছে এলিসিন ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। রসুন কেটে পানির সঙ্গে পেস্ট করুন। এরপর ব্রণের মধ্যে পাঁচ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

মধু

ব্রণ দূর করতে মধুও খুব উপকারী। মিষ্টি স্বাদের এই খাবারটি আপনি মাস্কের মতো মুখে লাগাতে পারেন। পাঁচ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। এর ভেতর আছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি এবং অ্যান্টি সেপটিক উপাদান। তবে নিয়মিতি মধু ব্যবহারে ব্রণ একেবারেই সারবে কি না, সেটা নিয়ে গবেষকরা এখনো দ্বন্দ্বে রয়েছেন। তাঁদের পরামর্শ, চেষ্টা করুন অপ্রক্রিয়াজাত বা টাটকা মধু ব্যবহার করতে।

2807 views

Related Questions