4 Answers
ছেলে ও মেয়েদের ত্বক কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে উজ্জ্বল আর ফর্সা করার উপায় নিন্মে দেয়া হলো :
(১) গুঁড়া দুধ ও লেবুর রসের হোয়াইটেনিং ফেস প্যাক
একটি পাত্রে ১ চা চামচ গুঁড়া দুধ, ২ চা চামচ লেবুর রস আর ১/২ চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার পুরো মুখে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক পরিষ্কার হয়ার সাথে সাথে আগের তুলনায় অনেকটা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। সব ধরনের ত্বকেই এই প্যাক ব্যবহার করা যাবে। লেবুতে থাকা প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান মধু আর দুধের সাথে মিশে ত্বক ফর্সা করে তুলতে সাহায্য করে। প্যাকটি তৈরি করে তেমন কোন বাড়তি ঝামেলাও নেই আর উপাদানগুলো প্রত্যেকের রান্নাঘরেই কমবেশি থাকে।আরেকটি কথা নিয়মিত এই প্যাক লাগালে ত্বকে ব্রনের সমস্যাও দূর হবে।
(২) টক দই আর ওট মিলের স্কিন হোয়াইটেনিং মাস্ক
সারারাত ১ টেবিল চামচ ওট মিল ভিজিয়ে রেখে সকালে এটি পেস্ট করে এর সাথে ১ টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করুন। এটি নিশ্চিতভাবে ত্বক ফর্সা করে। নিয়মিত ব্যবহারে অবশ্যই ভাল ফল পাবেন। ড্রাই টু নরমাল ত্বকের জন্য এই প্যাক বেশ উপকারি।
(৩) আলুর খোসার স্কিন হোয়াইটেনিং ফেস প্যাক
লেবুর রসের মত আলুর খোসায় ব্লিচিং উপাদান আছে । আলু খোসার পেস্ট নিয়মিত ত্বকে লাগান। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক উজ্জ্বল আর ফ্রেশ হবে। সব ধরনের তকেই এই প্যাক ব্যবহার করা যাবে।
(৪) হলুদ আর টমেটোর ফেস প্যাক
উজ্জ্বল ত্বক পেতে এক চিমটি হলুদ, ১ চা চামচ টমেটো বা লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে মুখের ত্বকে লাগান নিয়মিত। অবশ্যই ত্বক ফর্সা হবে। আমরা কমবেশি সবাই জানি টমেটো ত্বকের কাল দাগ দূর করতে কতোটা কার্যকরী। টমেটোর ব্লিচিং উপাদান আর হলুদের ভেষজ উপাদান ত্বক ফর্সা করতে একসাথে কাজ করে। স্বাভাবিক থেকে তৈলাক্ত এবং শুষ্ক ত্বকে এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করা যাবে।
(৫) আমন্ড অয়েল ফেস প্যাক
আপনি ৪-৫ টি আমন্ড সারারাত ভিজিয়ে রেখে এটি গুঁড়া করে পেস্ট তৈরি করে এর সাথে বাটার মিল্ক বা মালাই মিশিয়ে এই প্যাক ত্বকে লাগান। ১০ -১২ মিনিট এই প্যাক ত্বকে রাখুব এরপর কিছুক্ষণ স্ক্রাব করে ত্বক ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন প্যাকটি ত্বকে উজ্জ্বলতা এনে দিতে দারুণভাবে কাজ করেছে। এই প্যাক আপনার ত্বক নরম করবে, ত্বকের মৃত কোষ দূর করবে আর ত্বক হবে উজ্জ্বল। তবে আপনি যদি মালাই ব্যবহার করতে না চান তাহলে মধু বা টক দইও ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের জন্য বেশ উ
(৬) বেসনের ফেস প্যাক
বেসন সব সময় আমাদের ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে ত্বককে তরুণ রাখতে সাহায্য করে। বেসনের সাথে বাটার মিল্ক মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে লাগান আর শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তৈলাক্ত ত্বকে এই ফেশ প্যাক ব্যবহার করা যাবে না।
(৭) পুদিনা পাতার ফেস প্যাক
পুদিনা পাতায় বিদ্যমান অ্যাসট্রিজেন্ট ত্বকে পুস্টি যোগানোর সাথে সাথে ত্বকে উজ্জ্বল করে তুলে। ১৫ থেকে ২০ টি পুদিনা পাতা পেস্ট করে এটি মুখে লাগান এবং পুরো মুখে পেস্টটি লাগিয়ে ১০—১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে টান টান করবে আর ত্বকের ছোট ছোট পোর ঢেকে দেবে।পুদিনা পাতায় অ্যালার্জি থেকে থাকলে এই প্যাকটি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
(৮) কলার ফেস প্যাক
একটি পাত্রে পরিমান মতো কলা, ১ চা চামচ মধু আর ১ টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে নিয়মিত ত্বকে লাগান। এই প্যাকটি সান টান দূর করে ত্বক ফর্সা করে তুলবে।
ত্বক ফর্সা করার উপায় গুলো সম্পর্কে অনেকেই জানতে চাই। কিন্ত ভালো অথেনটিক ও সঠিক দিক নির্দেশনা না পাওয়ার কারনে, অনেকেই ত্বক ফর্সা করতে পারছে না। এই আর্টিকেলে ত্বক ফর্সা করার উপায় গুলো সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাবেন।
আপনি কি সঠিক উপায়ে ত্বক ফর্সা ও করতে চান? কোন ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা নেতিবাচক কোন প্রভাব ছাড়াই ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে চান? তাহলে এই অণুচ্ছেদটি আপনার জন্য।
এখানে আপনি জানতে পারবেন গুরুত্বপূর্ণ ৫টি সহজ টিপস যেগুলো নিয়মিত অনুসরণ করেই আপনি আপনার ত্বক খুব সুন্দর, ফর্সা, মসৃণ ও কোমল রাখতে পারবেন। আজকে আপনাদের শেয়ার করার চেষ্টা করবো কার্যকারী তথ্য বিস্তারিতভাবে ছেলেদের ত্বক ফর্সা করার ৫টি সহজ উপায় সম্পর্কে। তাহলে ত্বক ফর্সা করার উপায় গুলো সম্পর্কে জেনে নিন।
ত্বক ফর্সা করার গুরুত্ব
প্রায় অনেকে বলে থাকে, ছেলেদের নাকি ত্বকের তেমন যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এবং প্রকৃতপক্ষে পরিসংখ্যান করলে দেখাও যাবে বেশির ভাগ ছেলেরাই ত্বকের তেমন যত্ন নিচ্ছে না।
কিন্ত পরিশেষে দেখবেন সব ছেলেরাই মন থেকে চাই নিজেদের ত্বককে ফর্সা ও উজ্জ্বল করার জন্য। মুখে যেন কালো দাগ ও ময়লা না থাকে, ত্বক যেন সবসময় কোমল ও মসৃণ থাকে, দেখতে সুন্দর ও ভালো লাগে, এইটা সবাই চাই। অর্থাৎ সর্বদা উজ্জ্বল চেহারা প্রত্যাশা করে থাকে। তাহলে কেনই বা আপনার গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশাটি পূরণ করছেন না, সঠিক ভাবে ত্বকের যত্ন নিচ্ছেন না।
আসলে ত্বকের যত্ন না নিলে, ভালোভাবে পরিষ্কার না করলে ত্বকের সৌন্দর্য যেমন নষ্ট হয়ে যাবে, ঠিক অসুস্থ ও হয়ে যেতে পারেন। ত্বকের বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে তাই সবার উচিত ত্বকের পরিষ্কার করা। যদি সঠিকভাবে পরিষ্কার ও যত্ন নেওয়া হয়, তাহলেই ফর্সা হতে থাকবে ধীরে ধীরে। এবং ত্বক ফর্সা থাকলে মন এমনিতে অনেক ভালো লাগে। আর ত্বক ফর্সা থাকার অনেক সুবিধা ও রয়েছে।
ত্বক ফর্সা করার অনেক উপায় রয়েছে, এখনতো বাজারে অনেক ধরনের ক্রিম পাওয়া যায়। তবে সব ক্রিম কিন্ত ভালো নয়, কিছু আছে যা আপনার ত্বকের ক্ষতি পর্যন্ত করতে পারে। শুধু সাধারণ সাবান, ক্রিম পানি দিয়েই কিন্তু ভালোভাবে ত্বক পরিষ্কার করা যায় না। তবে সঠিক পরিচর্যা করার মাধ্যমে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। কিভাবে করবেন পরিচর্যা, এবং কি করা উচিত বা না এই সম্পর্কে বিস্তারিত এখানে জানতে পুরো আর্টিকেলটি পড়ুন।
যেহেতু পুরুষদের সবচেয়ে বেশি বাহিরে থাকতে হয়, খুব ব্যস্ততার মধ্যে দৈনন্দিন পার করতে হয়। এর ফলে চেহারার অবস্থা ভালো থাকে না, ধুলাবালু পরে কালো হয়ে যাই, পাশাপাশি অসুস্থ হওয়ার সম্ভবনা ও থাকে। তাই আমদের উচিত প্রতিনিয়ত পরিষ্কার পরিছন্ন থাকা এবং বিশেষ করে ত্বককে সুস্থ রাখার জন্য হলেও যত্ন নেওয়া।
নিচে ছেলেদের ত্বক ফর্সা করার খুব সহজ ৫টি গুরুত্বপূর্ণ উপায় দেওয়া আছে, যদি প্রত্যেকটা নিয়ম ধাপে ধাপে মানতে পারেন, তাহলে অবশ্যই আপনার ত্বককে আরও ফর্সা করতে পারবেন।
ত্বক ফর্সা করার উপায় গুলো হচ্ছে –
০১। সকালে ঘুম থেকে উঠে ফেসওয়াস দিয়ে ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।
০২। নিয়মিত ভালমানের ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।
০৩। বাহিরের ধুলাবালি ও রৌদ থেকে ত্বককে দূরে রাখার চেষ্টা করতে হবে।
০৪। ত্বক সুস্থ, সুন্দর ও ফর্সা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়া দরকার।
০৫। প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৪/৫ বার পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধৌত করা উচিত।
০১। সকালে ঘুম থেকে উঠে ফেসওয়াস দিয়ে ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।
নিয়মিত খুব সকালে ঘুম থেকে উঠার চেষ্টা করতে হবে। তারপর সর্বনিম্ন ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় রাখুন শুধু নিজের শরীরকে সতেজ এবং ত্বককে ভালো করে পরিষ্কার করার জন্য। ভালো মানের একটা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ছেলেদের জন্য বাজারে এখন অনেক ধরনের ফেসওয়াস পাওয়া যাই, তবে আগে দেখে শুনে অবশ্যই ভালোমানের টাই কিনতে হবে। তাহলে সঠিকভাবে কাজ করবে এবং মুখের ময়লা দূর করতে বিরাট ভূমিকা রাখবে। কেনই বা ফেসওয়াস ব্যবহার করবেন? কারণ ছেলেরা প্রায় সময় বাহিরে থাকে, ফলে রাস্তাঘাটের ধুলাবালু গাড়ির কালো ধুয়া এবং রৌদ ত্বকের অনেকটা ক্ষতি করে। এছাড়া বিভিন্ন রোগ জীবাণু ছড়ানোর সম্ভবনা ও আছে। এইসব সাধারণ সাবান বা শুধু পানি দিয়ে মুখ সম্পর্ন পরিষ্কার হয় না। এইজন্য ফেসওয়াস ব্যবহার করাই ভালো।
০২। নিয়মিত ভালমানের ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।
বর্তমানে ত্বক ফর্সা করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের ক্রিম পাওয়া যায়, ভালো মুখ ভালো করে পরিষ্কার করার পর, একটা মানসম্মত ক্রিম ব্যবহার করুন। ব্যবহার করার সময় প্রোডাক্টের সকল নিয়ম কানুন মানা উচিত। মনে রাখবেন, ছেলে এবং মেয়ের জন্য কিন্ত আলাদা ক্রিম আছে। আমার দেখা ছেলেদের জন্য সবচেয়ে উত্তম ক্রিম হচ্ছে ফেয়ার এন্ড হ্যান্ডসাম ফেয়ারনেস ক্রীমএক্স আরও অনেক আছে। যেইটা এখন সবচেয়ে বেশি প্রচলিত এবং আসলেই এইটার ব্যবহার কারীর সংখ্যা যতেষ্ট পরিমাণে।
০৩। বাহিরের ধুলাবালি ও রৌদ থেকে ত্বককে দূরে রাখার চেষ্টা করতে হবে।
তারপর আপনি যদি বাসা থেকে বের হন স্কুল, কলেজ, বা অফিসের উদ্দেশে, অথবা কোন কাজের জন্য বাহিরে যাবেন। তখন অবশ্যই আপনাকে বাইরের ধুলাবালি এবং রৌদ থেকে দুরে থাকতে হবে। আপনাদের ত্বককে বাইরের ধুলাবালি ও রোদ থেকে রক্ষা করুন। বাইরে বের হলেই এখন ধুলাবালিতে এবং তিব্র গরমে বের হওয়া ঘাম এর সাথে মিশে এবং রোদ পড়লে শরীর ও ত্বক নষ্ট হয়ে যায়। ত্বকের মধ্যে কালো দাগ পরে যাই এবং ধীরে ধীরে ত্বক নষ্ট হয়ে যাই।
০৪। ত্বক সুস্থ, সুন্দর ও ফর্সা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়া দরকার।
ত্বক ফর্সা করার উপায় গুলোর মধ্যে অনেক ধরনের খাবারও আছে। ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখার জন্য আপনাকে অবশ্যই এই ধরনের খাবার খেতে হবে নিয়মিত। খাবার গুলো হচ্ছে আপেল, গরুর দুধ, টক দুধ, ত্বক কমল ও মসৃণ করার জন্য মধু ও অনেক খানি কাজ করে। আরও অনেক ধরনের খাবার রয়েছে যা খেলে প্রাকৃতিক ভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে আর এইটা যতেষ্ট পরিমাণে ভালো। তাই প্রতিদিন নিয়মিত ত্বক সুস্থ, সুন্দর, কমল, মসৃণ ফর্সা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ফল খাওয়ার চেষ্টা করবো।
০৫। প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৪/৫ বার পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধৌত করা উচিত।
দিনে ৪/৫ বার মুখে পানি দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত এবং বেশি রাত না জেগে তারাতারি ঘুমানো উচিত। ঘুমানোর আগে আবার মুখে ভালো করে পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। আসলে আমরা যখন বাহিরে থেকে বাসায় আসি, তখন অনেক ধুলাবালি আমাদের ত্বকে লেগে থাকে তারপর বাসায় এসে যদি ভালো করে ত্বক না পরিষ্কার করি, তাহলে ত্বকের মধ্যে ভালো ভাবে ময়লা লেগে কালো করার পাশাপাশি অনেক ক্ষতিও করতে পারে। আসলে মাত্র ৫ টি ধাপ যদি অনুসরণ করতে পারেন তাহলেই কিন্ত আপনি ত্বকের ভালো যত্ন নিতে পারছেন।
ত্বক ফর্সা করার ভিবিন্ন উপায় আছে তার ভিতর উল্লেখযোগ্য ও পার্শপ্রতিক্রিয়া ছাড়া কিছু আয়ুর্বেদিক উপায় বর্ননা করা হল-
১) এলোভেরা- এলোভেরা ব্যাবহার করলে ত্বক মশ্রিন ও উজ্জ্বল হয়।
২) চন্দন- চন্দন গুড়া ত্বক ফর্সা করতে সাহায্য করে ও দাগ দূর করতে সাহায্য করতে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy