Armanhossainbd

Armanhossainbd

Armanhossainbd

About Armanhossainbd

Modified boy
যোগ্যতা ও হাইলাইট
পুরুষ
Single
Islam
Work Experiences
Skills
Language
Trainings
Education
Social Profile
Add social profile
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 25.74k বার দেখা হয়েছে এই মাসে 14.86k বার
17 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 14.86k বার
16 টি উত্তর দেখা হয়েছে 10.88k বার
0 টি ব্লগ
0 টি মন্তব্য
টাইমলাইন

মূলত একটি উত্তরে লিখে পুরো ওয়েবসাইট ডিজাইনের পদ্ধতি বুঝানো অসম্ভব।তার জন্য আপনি আগে এইচটিএমএল পিএইচপি জাভাস্ক্রিপ্ট ইত্যাদি শিখে নিবেন। তারপর আপনি আপনার ইচ্ছা মত ডিজাইন করতে পারবেন।তবু কিছু ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করলাম। ডোমেইনের সাথে হোষ্টিং কানেক্ট করার পর softacolous aqqs installer থেকে questions2answer ইনস্টল করবেন। 


সাইট সাজানোর জন্য আপনি হোস্টিং এ ফাইল ম্যানেজার এ গিয়ে সিএসএস চেঞ্জ করতে পারবেন বা পিএইসপি চেঞ্জ করে আপনার পছন্দমত ডিজাইন করতে পারবেন। মেনু বারে বিভিন্ন অপশন এড করার জন্যঃ এডমিন প্যনেলে লগইন করবেন এডমিন প্যানেলের page অপশনে ক্লিক করবেন।সেখানে মেনুবারে যে যে অপশন এড করতে চান (প্রশ্ন করুন,উত্তরিত,অনুত্তরিত ইত্যাদি) তা ঠিক মার্ক করে সেভ করুন। ভিউজ দেখার জন্যঃ ভিজিটর কাউন্টার প্লাগইনটি ডাউনলোড করে ফাইল মেনেজারে আপলোড করুন।আর এডমিন প্যানেলের প্লাগিন অপশনে গিয়ে plug-in টি অন করুন। এবং উইজেটে গিয়ে প্লাগিনটি কোন জায়গায় শো করতে চান সেটি নিশ্চিত করতে পারবেন। সাইটের ভাষা বাংলা করার জন্য ঃ 1. বাংলা করার জন্য আপনাকে প্রথমে question2answer থেকে বাংলা ল্যাংগুয়েজ ফাইল ডাউনলোড করতে হবে।তারপর সেটা হোষ্টিং এর ফাইল ম্যানেজারে আপলোড দিয়ে পরে এক্সট্রেকট করতে হবে। পরে কোন সমস্য হলে কমেন্ট করুন।


আরো বিস্তারিত জান্তে Youtube এ সার্চ করুন।


বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের জনশক্তিদের মান অনুযায়ি ৪ টা ধাপ আছে,প্রথমে সমর্থক,তারপর কর্মী,তারপর সাথী, তারপর সদস্য। 


সংগঠনের ৩ নং ধারায় বর্ণিত আছে, "যে সব ছাত্র ইসলামি জীবন বিধান প্রঠিষ্টার সংগ্রামে অংশ নিতে প্রস্তুত, তাদেরকে এ সংগঠনের অধিনে সংঘবদ্ধ করা"।

তো আপনি যদি ৩ নং ধারা পালন করেন তাহলে সংগঠনের আপনি সমর্থক হিসেবে বিবেচিত হবেন।তবে অবশ্যই অফিশিয়ালি সমর্থক ফরম পূরণ করতে হয়।

এর পর সংগঠনের  সিলেবাস কর্তৃক কর্মী সিলেবাসের কুরআন ও হাদিসের নির্দৃষ্ট খন্ড এবং সিলেবাস কর্তৃক ১১ টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যয়ন করেন তাহলে উর্ধতন দায়িত্বশিলের নিকট একটি কন্টাক্ট (পরিক্ষা) দিয়ে কর্মী শপথ নিতে হবে।

এরপর ৯নং ধারা-"যদি কোন শিক্ষার্থী সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের সাথে ঐক্যমত পোষণ করেন,এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে সচেতন ভাবে একমত হন,ইসলামের প্রাথমিক দায়িত্ব সমূহ পালন করেন এবং সংগঠনের সামগ্রিক তৎপরতায় পূর্ণভাবে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলে তিনি এ সংগগঠনের সাথী হতে পারবেন"।

ধারা -১০:সাথী হতে ইচ্ছুক কোন শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত সাথী হবার আবেদনপত্র পূরণ করে তা কেন্দ্রীয় সভাপতি অথবা তার কোন স্থানীয় প্রতিনিধির কাছে জমা দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি বা তার স্থানীয় প্রতিনিধি সে আবেদনপত্র মন্জুর করে নেবেন"।

যদি আপনি ৯ নং ধারা পালন করে থাকেন এবং সিলেবাসে বর্ণিত নির্ধারিত কুরআন,হাদিস এবং ৩০টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যায়ন করেন, তাহলে স্থানীয় দায়িত্বশীলের মাধ্যমে সাথী কন্টাক্ট দেওয়ার জন্য আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিয়ে কন্টাক্ট দিতে হবে। কন্টাকে উত্তীর্ণ হলে আপনি সাথী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং আপনার আবেদন পত্র কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে যাবে। সভাপতি মন্জুর করলে, কিছুদিন পর আবার আপনাকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির কাছে কন্টাক্ট দিতে হবে। কন্টাক্টে উত্তীর্ণ হলে আপনাকে সাথী শপথ দেওয়া হবে।

তবে  সাথী প্রার্থী, সাথী কন্টাক্ট দেবার পূর্বে অবশ্যই আপনাকে ৯০ দিনের দৈনন্দিন রিপোর্ট স্থানীয়, কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলকে দেখাতে হবে। অবশ্যই আপনাকে ছাত্র হতে হবে, নিয়মিত সাহিত্য অধ্যয়ন করতে হবে পাঠ্যসূচি অধ্যয়ন করতে হবে। কোরআন, হাদিস অধ্যয়ন করতে হবে। মিনিমাম ৪+ ওয়াক্ত নামাজ জামাআতের সাথে আদায় করতে হবে। এসকল নিয়ম পালন করলেই আপনি সাথী প্রার্থী হতে পারবেন সাথী শপত নেবার জন্য কন্টাক্ট দিতে পারবেন। তখন আপনি সাথী কন্টাক্ট এ পাশ করতে পারলে নিশ্চিত সাথী হতে পারবেন ইনশাল্লাহ।


সাথী হবার পর ৪ নং ধারা অনুযায়ী  "একজন শিক্ষার্থী যদি সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যেকে তার জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করেন,এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে পূর্ণ ঐক্যমত পোষণ করেন ও তা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টায় সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেন,এ সংগঠনের সংবিধানকে সম্পূর্ণররূপে মেনে চলে,তার জীবনে ইসলাম নির্ধারিত ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ যথাযথভাবে পালন করেন,কবিরা গুণাহসমূহ থেকে দূরে থাকেন এবং সংগঠনের লক্ষ্য ও কর্মসূচির বিপরীত কোন সংগঠনের সঙ্গে কোন সম্পর্ক না রাখেন,তাহলে তিনি এই সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করেতে পারেন"।

ধারা-৫: সদস্য পদ লাভে ইচ্ছুক কোন কর্মী (সাথী) কেন্দ্রীয় সভাপতি হতে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে তা যথাযথ ভাবে পূরণ করে কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত পন্থায় কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে পাঠিয়ে দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি তা মন্জুর করবেন এবং তার সদস্য পদের শপথ নেওয়ার ব্যাবস্থা করবেন। মন্জুর করলে তার কারণ কার্যকরী পরিষদের নিকট ব্যাখ্যা করতে বাধ্য থাকবেন"।

যদি কোন সাথী ৪ নং ধারা পালন করে থাকেন এবং সংগঠনের সিলেবাস কর্তৃক কুরআন, হাদিসের অংশ এবং ৮৪ টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যয়ন  করবে তাহলে তিনি স্থানীয় দায়িত্বশীলের মাধ্যমে সদস্য আবেদনপত্রের জন্য কন্টাক্ট দিতে হবে। উত্তীর্ণ হলে কেন্দ্ররীয় সেক্ররেটারির সাক্ষরিত আপনি আবেদনপত্র পাবেন।আবেদন পত্রের সাথে সংগঠন নির্ধারিত একটি ডায়েরী পাবেন।ডায়েরীতে প্রতিদিনের ২৪ ঘন্টার প্রতি মিনিটের কাজের বর্ণনা ও হিসাব লিখতে হবে। এ ডায়েরি লেখার বয়স ৩ মাস হলে,আবার প্রশ্ন পত্রের জন্য কন্টাক্ট দিতে হবে।উত্তীর্ণ হলে কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র আসবে। ৭২ ঘন্টার মধ্যে প্রশ্নগুলো লিখে দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে কেন্দ্রে পাঠাতে হবে। এরপর এর ১ মাস পরে লিখিত কন্টাক হবে। উত্তীর্ণ হলে কয়েক ঘন্টা পরে শপথ কন্টাক্ট দিতে হবে। উত্তীর্ণ হলে পরের দিন চূড়ান্ত শপথ হবে। এতে উত্তীর্ণ হলে। আপনি শপথ অনুষ্ঠানে যেতে পারবেন। শপথ অনুষ্ঠানে অফিস সম্পাদক একটু বাছাই করবে। বাছাইয়ে আপনি টিকে গেলে মুরতারাম কেন্দ্রীয় সভাপতি শপথ দেওয়ারর জন্য উপস্থিত হবেন। তিনি চাইলে কাউকে প্রশ্ন করতে পারেন। যদি উত্তর না দিতে পারেন, তাহলে আপনি বাদ পরতে পরেন। এরপর কেন্দ্রীয় সভাপতি শপথ দিবেন।

সদস্যপদই বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক মানের পদ। কেন্দ্রীয় সভাপতিও একজন সদস্য।


বিস্তারিত আরো জান্তে ইসলামি ছাত্র শিবিরের একজন দায়িত্বশীলের কাছে পারামর্শ নিন। এবং ইসলামি ছাত্রশিবিরের সংবিধান বইটি পড়তে পারেন।


খাদ্যজাল: বাস্তুতন্ত্র বা একটি ইকোসিস্টেমে সজীব উপাদানগুলো সর্বদাই একে অন্যের উপর নির্ভরশীল। 

আবার এরা অজীব উপাদানের উপরও নির্ভরশীল। পরিবেশের জৈব অজৈব উপাদান দ্বারা সৌর শক্তির সাহায্যে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করে, এই খাদ্য অন্য প্রাণীরা খায়, প্রাণীগুলো আবার অন্য প্রাণীদের খায়, সর্ব শেষ বা উচ্চতর প্রাণীটিও মারা গেলে বিয়োজক তা থেকে উপাদানগুলো অজীব পরিবেশে ফিরিয়ে দেয় যা উৎপাদক পুনরায় গ্রহন করে।


 এভাবে সকল উপাদানের মধ্যে পারস্পারিক একটি খাদ্য নির্ভরশীল চক্র গড়ে ওঠে। এই চক্র খাদ্যশৃঙ্খল নামে পরিচিত। যেমন একটি পুকুরের খাদ্য শৃঙ্খল যেখানে পানিতে বিভিন্ন শৈবাল থাকে। এদের খায় ছোট বড় সকল মাছ। বড় মাছ আবার ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে। পানিতে ক্ষুদ্র প্রাণীকণা বা জুপ্লাঙ্কটনও এদের খায়। মাছ আবার জুপ্লাঙ্কটন খায়। 


আবার একটি বনের খাদ্যশৃঙ্খল। যেখানে ঘাস লতাপাতা বিভিন্ন প্রাণি খায় আবার প্রাণীদের আবার মাংসাসী প্রাণিরা খায়। এভাবে, নানা রকম খাদ্য শৃঙ্খল আমাদের চারপাশে চলছে। কিন্তু এই খাদ্যশৃঙ্খল গুলো একে অন্য থেকে পৃথক নয়, বরং একে অন্যের সাথে যুক্ত। । কারণ কোন একটি খাদ্যশৃঙ্খলের উপাদান কম বেশি হলে পার্শ্ববর্তী খাদ্যশৃঙ্খলের বিপরীত উপাদান সেখানে প্রভাব করে। প্রতিটি খাদ্যশৃঙ্খলের এর পারস্পারিক সম্পর্কযুক্ত হওয়ার ফলে যে একটি জালকের সৃষ্টি হয় তাকে খাদ্যজাল বলে। 


সহজ ভাবে, পরস্পর সম্পর্কযুক্ত অনেকগুলো খাদ্যশৃঙ্খলের সমষ্টিকে খাদ্যজাল বলে।

গালফ (Gulf) কাকে বলে?

Armanhossainbd
Armanhossainbd
Nov 22, 12:35 AM

ছেলে ও মেয়েদের ত্বক কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে উজ্জ্বল আর ফর্সা করার উপায় নিন্মে দেয়া হলো :

(১) গুঁড়া দুধ ও লেবুর রসের হোয়াইটেনিং ফেস প্যাক

একটি পাত্রে ১ চা চামচ গুঁড়া দুধ, ২ চা চামচ লেবুর রস আর ১/২ চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার পুরো মুখে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক পরিষ্কার হয়ার সাথে সাথে আগের তুলনায় অনেকটা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। সব ধরনের ত্বকেই এই প্যাক ব্যবহার করা যাবে। লেবুতে থাকা প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান মধু আর দুধের সাথে মিশে ত্বক ফর্সা করে তুলতে সাহায্য করে। প্যাকটি তৈরি করে তেমন কোন বাড়তি ঝামেলাও নেই আর উপাদানগুলো প্রত্যেকের রান্নাঘরেই কমবেশি থাকে।আরেকটি কথা নিয়মিত এই প্যাক লাগালে ত্বকে ব্রনের সমস্যাও দূর হবে।

(২) টক দই আর ওট মিলের স্কিন হোয়াইটেনিং মাস্ক

সারারাত ১ টেবিল চামচ ওট মিল ভিজিয়ে রেখে সকালে এটি পেস্ট করে এর সাথে ১ টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করুন। এটি নিশ্চিতভাবে ত্বক ফর্সা করে। নিয়মিত ব্যবহারে অবশ্যই ভাল ফল পাবেন। ড্রাই টু নরমাল ত্বকের জন্য এই প্যাক বেশ উপকারি।

(৩) আলুর খোসার স্কিন হোয়াইটেনিং ফেস প্যাক

লেবুর রসের মত আলুর খোসায় ব্লিচিং উপাদান আছে । আলু খোসার পেস্ট নিয়মিত ত্বকে লাগান। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক উজ্জ্বল আর ফ্রেশ হবে। সব ধরনের তকেই এই প্যাক ব্যবহার করা যাবে।

(৪) হলুদ আর টমেটোর ফেস প্যাক

উজ্জ্বল ত্বক পেতে এক চিমটি হলুদ, ১ চা চামচ টমেটো বা লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে মুখের ত্বকে লাগান নিয়মিত। অবশ্যই ত্বক ফর্সা হবে। আমরা কমবেশি সবাই জানি টমেটো ত্বকের কাল দাগ দূর করতে কতোটা কার্যকরী। টমেটোর ব্লিচিং উপাদান আর হলুদের ভেষজ উপাদান ত্বক ফর্সা করতে একসাথে কাজ করে। স্বাভাবিক থেকে তৈলাক্ত এবং শুষ্ক ত্বকে এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করা যাবে।

(৫) আমন্ড অয়েল ফেস প্যাক

আপনি ৪-৫ টি আমন্ড সারারাত ভিজিয়ে রেখে এটি গুঁড়া করে পেস্ট তৈরি করে এর সাথে বাটার মিল্ক বা মালাই মিশিয়ে এই প্যাক ত্বকে লাগান। ১০ -১২ মিনিট এই প্যাক ত্বকে রাখুব এরপর কিছুক্ষণ স্ক্রাব করে ত্বক ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন প্যাকটি ত্বকে উজ্জ্বলতা এনে দিতে দারুণভাবে কাজ করেছে। এই প্যাক আপনার ত্বক নরম করবে, ত্বকের মৃত কোষ দূর করবে আর ত্বক হবে উজ্জ্বল। তবে আপনি যদি মালাই ব্যবহার করতে না চান তাহলে মধু বা টক দইও ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের জন্য বেশ উ

(৬) বেসনের ফেস প্যাক

বেসন সব সময় আমাদের ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে ত্বককে তরুণ রাখতে সাহায্য করে। বেসনের সাথে বাটার মিল্ক মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে লাগান আর শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তৈলাক্ত ত্বকে এই ফেশ প্যাক ব্যবহার করা যাবে না।

(৭) পুদিনা পাতার ফেস প্যাক

পুদিনা পাতায় বিদ্যমান অ্যাসট্রিজেন্ট ত্বকে পুস্টি যোগানোর সাথে সাথে ত্বকে উজ্জ্বল করে তুলে। ১৫ থেকে ২০ টি পুদিনা পাতা পেস্ট করে এটি মুখে লাগান এবং পুরো মুখে পেস্টটি লাগিয়ে ১০—১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে টান টান করবে আর ত্বকের ছোট ছোট পোর ঢেকে দেবে।পুদিনা পাতায় অ্যালার্জি থেকে থাকলে এই প্যাকটি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

(৮) কলার ফেস প্যাক

একটি পাত্রে পরিমান মতো কলা, ১ চা চামচ মধু আর ১ টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে নিয়মিত ত্বকে লাগান। এই প্যাকটি সান টান দূর করে ত্বক ফর্সা করে তুলবে।

যা এত দিন কেবল মুখের কথায় ছিল, তা এবার বাস্তবে রূপ পাচ্ছে। অবৈধ মুঠোফোন বন্ধ করতে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থার প্রযুক্তি সরবরাহ ও পরিচালনার জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

এটি কার্যকরভাবে চালু হলে অবৈধভাবে দেশে আনা মুঠোফোন মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে চালু করা যাবে না। অবৈধ /আনঅফিসিয়াল মোবাইল বন্ধ হয়ে যাবে।