5 Answers
জন্ডিস রোগ থেকে বাঁচার সবচেয়ে ভাল উপায় হলো বেশি বেশি পানি পান করবেন এবং আঁখ বা আঁখের রস বেশি বেশি পান করবেন। আর যদি মেটে জন্ডিস হয়ে থাকে, তবে অনেকেই মেটে জন্ডিসের জন্য কিছু গাছান্ত ঔষধ দেয়, তাদের কাছে যান এবং তাদের দেয়া ঔষধ ও পরামর্শ গ্রহণ করুন।
→জন্ডিস প্রতিরোধের উপায়: জন্ডিস থেকে বাঁচতে চাইলে সবচেয়ে বেশি দরকার পর্যাপ্ত বিশ্রাম, প্রচুর পরিমাণে পানি পান ও নিয়মিত টেস্ট করানো। এছাড়া জন্ডিস প্রতিরোধে নিচের বিষয়গুলোও মেনে চলা উচিত। ১. হেপাটাইটিস এ এবং ই খাদ্য ও পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। আর বি, সি এবং ডি দূষিত রক্ত, সিরিঞ্জ এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়। সবসময় বিশুদ্ধ খাদ্য ও পানি খেতে হবে। শরীরে রক্তের দরকার হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং করে নিতে হবে। ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার করাটাও খুবই জরুরি। ২. কলকারখানার রাসায়নিক পদার্থ থেকে দূরে থাকুন। ৩. নেশাদ্রব্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন। ৪. ব্যবহারকৃত ইনেকশন কিংবা নাক-কান ফোঁড়ানোর সুই ব্যবহার করবেন না। ৫. হেপাটাইটিস এ এবং বি হওয়ার আশংকামুক্ত থাকতে হেপাটাইটিস এ এবং বি এর ভ্যাকসিন গ্রহণ করুন।একটু খানি সচেতনতাই পারে অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে। তাই আগে থেকেই সচেতন হউন এবং ভালো থাকুন।
টমেটো টমেটোয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, এবং এটি ভিটামিন সি-এ পরিপূর্ণ। টমেটো জুস যদি অল্প নুন দিয়ে খালি পেটে ১০-১২ দিন খাওয়া যায় তাহলে ভাল ফল পাওয়া যায়। আমলকি আমলকিতেও ভিটামিন সি প্রচুর পরিমাণে আছে, জন্ডিস নিরাময়ে অত্যন্ত উপযোগী এটি। এই আমলকি যকৃতের কোষকে পুনরুজ্জীবন দেয়। আখের রস জন্ডিসের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষেত্রে আখের রস আপনার অন্যতম অস্ত্র হতে পারে। দৈনন্দিন নিয়ম করে এক গ্লাস আখের রস খেতে পারলে যকৃতের কার্যক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। লেবুর রস লেবুতেও ভিটামিন সি পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। লেবু পিত্তনালী পরিষ্কার করে। খালি পেটে পাতি লেবুর রস খান তাহলে দ্রুত ঠিক হয়ে উঠতে পারবেন। গাজর গাজরে প্রচুর পরিমাণে বেটা-ক্যারোটিন আছে। আর এতে কোলেস্টরলের পরিমাণ কম। এছাড়াও ভিটামিন এ এবং সি প্রচুর পরিমাণে থাকে। গাজর যকৃতের অবাধ কাজে সাহায্য করে। বাটারমিল্ক বাটারমিল্কে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ক্যালসিয়াম রয়েছে। যেহেতু বাটারমিল্ক ফ্যাটফ্রি হয়, তাই সহজ পাচ্যও বটে। রোজ বাটার মিল্ক খেতে পারলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন আপনি। বেদানা বেদানায় প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এমনকী সোডিয়ামও রয়েছে যা জন্ডিস নিরাময়ে সাহায্য করে।
জন্ডিস হলে করনীয়ঃ পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। লিভার বা যকৃতের বিশ্রামের জন্য শরবত, প্রচুর আখের রস খাওয়াতে হবে। রুচি থাকিলে ভাত, চর্বি বিহীন মাছ, তরকারী, পাউরুটি, সর ছাড়া দুধ ইত্যাদি দেয়া যাইবে। অরুচি বা জ্বর না থাকলে ভিটামিন- বি ও ভিটামিন- সি খাওয়া যাইবে, অন্য কোন ঔষধের প্রয়োজন নেই। জন্ডিসের সাথে জ্বর থাকলে, বুমি বুমি ভাব বা বুমি থাকলে, চিকিৎসকের নিকট যেতে হবে। রোগ ভাল না হওয়া পর্যন্ত নিম্নের ঔষধ সেবন করা যাবেনাঃ সিডেটিভ (ঘুমের ঔষধ), এন্টিএমিটিক(বমির ঔষধ), প্যারাসিটামল, কো- ট্র্মোক্সাজল, টি বি বিরোধী ঔষধ। চিকিৎসকের অনুমতি ব্যতিত কোন ঔষধ সেবন করিবেন না। "মোশারফ হোসেন"
হোমিওতে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে। আমি হিসেবে বলছি আমার হাতে বেম কয়েকজন ভাল হয়েছে।ভাল হোমিও ডাক্তারের সরনাপন্ন হউন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy