4 Answers
আপনি এজন্য ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন।তবে ওষুধের থেকে আপনি প্রাকৃতিক পন্হা অবলম্বন করতে পারেন।আপনি আপনার মুখকে বেশি ধুলাবালি থেকে মুক্ত রাখবেন।বাইরে কোথাও গেলে বা মুখ ঘেমে গেলে সাবান দেবেন মুখে।কারণ জীবাণু মুখে জমে গিয়ে এই সমস্যা তৈরি করে।আপনি এজন্য ডাভ সাবান ব্যবহার করতে পারেন।তাছাড়া আপনি মধু মুখে দশ মিনিট লাগিয়ে রাখতে পারেন।এরকম দিনে দুইবার করবেন।তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।তাছাড়া আপনি লেবু মুখে তিন মিনিট লাগিয়ে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুতে পারেন।এতে ভালো হতে পারে।
কোনো সাবানই মুখে ব্যাবহার করবেন না।করলে করতে পারেন সেভলন অথবা ডেটল। তাছাড়া অন্য কোনো সাবান একদম না।নিম পাতা বেটে রস দিবেন নিয়ম করে।ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন তাড়াতাড়ি।ধন্যবাদ.....
- ১ চা চামচ দারুচিনি পাউডার এবং ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পেষ্ট করে নিন। এবার এটি ব্রণের ওপর লাগান। শুকানোর পর ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ব্রণ অনেকটা শুকিয়ে বা ছোট হয়ে আসছে।
- ৩টি ডিমের সাদা অংশ নিন। এবার খুব ভাল করে ফাটুন। তারপর সাদা অংশটুকু ব্রণে লাগান। শুকিয়ে আবার লাগান। এভাবে ৪ বার ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করুন। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।
- নিমের এক টুকরো তুলোর বল নিমের তেলের মধ্যে ভিজিয়ে নিন। এবার এটি ব্রণের ওপর ব্যবহার করুন। নিমের তেলের সাথে নিমের পাউডার দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিতে পারেন। এটি সারা রাত মুখে লাগিয়ে রাখুন। সকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
- এক টুকরো পেঁপে নিয়ে বীচি ফেলে পেষ্ট করে নিন। এই পেষ্ট ব্যবহারের আগে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে করে আপনার মুখের ছিদ্রগুলো খুলে যাবে। এবার পেঁপের পেষ্ট ব্রণে লাগিয়ে ফেলুন। শুকানোর পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধয়ে ফেলুন।
- ৩টি স্ট্রবেরি পেষ্ট এবং দুই চাচামচ মধু দিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। মুখ কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এবার স্ট্রবেরি ও মধুর প্যাক লাগান। ৩০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।
যে জায়গা গুলিতে ব্রণ সে জায়গায় মধু অথবা টুথপেস্ট লাগিয়ে রাতে ঘুমান। সকালেই ভাল ফল পাবেন। ব্রণের জায়গা লালচে হয়ে গেলে বরফ থেরাপি করুন। এছাড়া এলোভেরার জেল এবং সামান্য পেঁপে এবং মধু পেস্ট করে ২বেলা মুখে লাগান। এতেও খুব ভাল ফল পাবেন। নখ লাগাবেন না ব্রণে ভুলেও। কেমিকেল লাগাবেন না।