আমার বয়স 21 এর কাছাকাছি৷ কিন্তু আমার এখোনো স্বপ্নদোষ হয়। এর প্রতিকার কি?
5 Answers
আপনি খারাপ চিন্তা ও পর্ন দেখা ও হস্তমৈথুন করা বাদ দিন। তাহলে স্বপ্নদোষ আস্তে আস্তে কমে যাবে।
মাসে যদি ৪/৫ দিন সপ্নদোষ হয় সেটা মারাত্বক কিছু নয়। তবে একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন ঘুমাতে যাওয়ার পরে বিছানায় গিয়ে কোনো সেক্সুয়াল চিন্তা করবেন না বা কোনো পর্নগ্রাফি দেখবেন না কারণ এগুলা নাইট ডিসচার্জ এর জন্য দায়ি হয় আর নিয়মিত প্রার্থনা করবেন সবসময় নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসী থাকবেন ইনশাআল্লাহ এরকম হবে না । আর যদি মনে করেন আপনার অতিরিক্ত সপ্নদোষ হচ্ছে তাহলে এই মেডিসিন গুলো খেতে পারেন । সিরাপঃ জারনাইড (হামদর্দ) অথবা, সিরাপঃ জিরিয়ান ( ইবনে সীনা ফার্মাসিউটিক্যালস) দুই চামচ করে দুই বার খাবার পরে । এবং , ক্যাপসুলঃ প্রোটিনাভিট ( ইন্সেপটা ফার্মাসিউটিক্যাল) রোজ দুপুরে একটা খাবার সাথে ।। ধন্যবাদ।। আপনার আগামী আরো সুন্দর হোক এই কামনায়। মোঃ সালমান খান পেশায় চিকিৎসক সরকারি তিব্বিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল(ইউনানী),সিলেট
স্বপ্নদোষ থেকে বাঁচার উপায় ১) ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রস্রাব করে নিন।যদিও এটি স্বপ্নদোষের চিকিৎসা নয়।তবে এটি স্বপ্নদোষের চাপ কমাতে শরিরকে সাহায্য করে। ২) ঘুমাতে যাওয়ার আগে এককাপ ঋষি পাতা (sage leaves- Google এ search করে দেকতে পারেন। হয়ত এটি আপনার অঞ্চলে ভিন্ন নামে পরিচিত) এর চা পান করলে অতিরিক্ত হস্থমৈথুন জনিত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ৩) অশ্বগন্ধা স্বপ্নদোষে সৃষ্ট সমস্যার উপকরণ সহ সর্বোপরি যৌন স্বাস্থ্য শুদ্ধি হরমুন ব্যালেন্স এবং হস্থমৈথুন এর ফলে দুর্বল হয়ে যাওয়া পেশিশক্তি ফিরে পাওয়া ও ছোট খাটো ইঞ্জুরি সারিয়ে তুলতে পারে। ৪) ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না।যদি সামান্য পরিমাণ প্রস্রাবের লক্ষণও থাকে বিছানায় যাওয়ার আগে প্রস্রাব করে নিন। ৫) রাতে খাবার পর পরই ঘুমাতে যাবেন না। কিছুক্ষণ হাটা হাটি করুন। ৬) প্রতিদিন সামান্য করে হলেও পুদিনা পাতা অথবা মিছরি খাবার অভ্যাস করুন। ৭) পবিত্র কোরানের ৩০ নাম্বার পারার ” সুরা তারিক” পরে শয়ন করুন। হালকা জিকির এবং অন্যান্য দোয়া পরে ঘুমাতে গেলে আল্লাহর রহমতে স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
যে সকল কারণে হতে পারে- হরমোন ব্যাপারে, কামউত্তেজনা বেশি হয় অথবা যাদের অবিরাম যৌন চিন্তা থাকে ও উত্তেজক বই পাঠ, সিনেমা, ব্লু ফিল্ম দেখা প্রভৃতি নানা কারণে তার মধ্যে অবিরাম এ চিন্তা যৌন চিন্তা চলতে থাকে। তাছাড়া মদ্য পান, নেশা, অতিরিক্ত পরিমাণে নানা উত্তেজক খাদ্য গ্রহণ প্রভৃতি। এর ফলে মাথা ঘোরা, হৃদপিণ্ড ধড়পড় করা, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া প্রভৃতি নানা রকম নালিশ শোনা যায়; কিন্তু প্রকৃতিপক্ষে তা স্বপ্নদোষের জন্য নয়। তার প্রকৃত কারণ হল দেহে উপযুক্ত খাদ্যের অভাব অথবা অন্য কোন ধরণের রোগ বিদ্যমান। তা-না হলে এর বিশেষ চিকিৎসা লাগে না। ডাক্তার দিয়ে আগে কোন রোগের কারণে এমন হচ্ছে তা,খুঁজে বেড় করুন তারপর চিকিৎসা নিবেন। সপ্নদোষ থেকে বাঁচতে উপরক্ত কারণ অপসারণ করলেই হলো।
যারা অবিবাহিত, তাদের জন্য স্বপ্নদোষ হওয়াটা স্বাভাবিক। স্বপ্নদোষ হলে গোসল করে পবিত্র হয়ে নামাজ আদায় করে নিতে হবে। তবে অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। স্বপ্নদোষ দূর করতে চাইলে, যত দ্রুত সম্ভব বিবাহ করে ফেলুন। কেননা, স্বামী-স্ত্রীর নিয়মিত যৌনমিলনে স্বপ্নদোষ দূর হয়ে যায়। যেহেতু আপনার বয়স প্রায় ২১ বৎসর, সেহেতু পুরোপুরি ২১ হওয়ার সাথে সাথে ১৮ বা ১৮ এর অধিক বয়সের কোনো ভালো মেয়েকে দেশীয় আইনে ধর্মীয়ভাবে বিয়ে করে ফেলুন। এতে আপনি যেমন স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পাবেন, তেমনি পাবেন আলাদা এক প্রশান্তি, যা আপনার শরীর ও মনের জন্য সুফল বয়ে আনবে। ধন্যবাদ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy