হস্তমৌথন ত্যাগ করার উপায় কি?
7 Answers
◆হস্তমৈথুন থেকে বাঁচার উপায় (ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য প্রযোজ্য): ১★প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর সূরা তওবার শেষ দুই আয়াত পড়ে শরীরে ফুঁক দিতে হবে (ইহা একটি পরীক্ষিত আমল)। ২★কোনো কারনে লিঙ্গ উত্তেজিত হলে হাত বা অন্য কোনো বস্তু দ্বারা স্পর্শ করা যাবে না। ৩★বাজে চিন্তা-ভাবনা, মন্তব্য, কথা-বার্তা বা সঙ্গ পরিত্যাগ করতে হবে। ৪★'বাংলা চটি গল্প' পড়া থেকে বিরত থাকতে হবে। ৫★অশ্লীল ইমেজ, মুভি বা ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকতে হবে। ৬★ফেইসবুক, টুইটার বা অন্য কোথাও অশ্লীল কিছু চোখে পড়লে নিজেকে সংযত রাখার চেষ্টা করতে হবে। ৭★বেগানা পুরুষ বা বেগানা নারীর দিকে তাকানো যাবে না। ৮★অশ্লীলতার ধারে কাছেও যাওয়া যাবে না। ৯★উলঙ্গ হয়ে গোসল করা যাবে না। ১০★শরীর ও মন পবিত্র রাখা প্রয়োজন। ১১★চিত্ হয়ে শোয়া যাবে না, ডান দিকে কাত হয়ে শুতে হবে। ১২★সর্বদা আল্লাহ্'র প্রতি ভয় রাখতে হবে। ১৩★নাচ-গান বা রঙ-তামাশা থেকে বিরত থাকতে হবে। ১৪★সবসময় 'লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লাহ্ বিল্লাহ্' পাঠ করতে হবে। ১৫★সর্বোপরি যেহেতু এটি একটি হারাম কাজ, তাই এটি থেকে বাঁচার ইচ্ছাশক্তি দৃঢ় করতে হবে। তবেই হারাম থেকে বাঁচতে আল্লাহ্ সাহায্য করবে। ১৬★আল্লাহ্ আপনার সহায় হোন। আমিন।
আপনি সৃষ্টিকর্তাকে ভয় করতে থাকুন। বাথরুমে প্রবেশের আগে ডানে-বাঁয়ে তাকিয়ে দেখে নিন আপনার সাথে যে দুজন ফেরেস্তা আছেন তাঁরা নিশ্য়ই আপনার দিকে তাকিয়ে আছে। একেবারে উলঙ্গ অবস্থায় গোসল করার কথা চিন্তাও করবেন না। কারণ, ফেরেস্তারা ও স্বয়ং আল্লাহ আপনাকে দেখছে। ইনশাআল্লাহ আপনি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারবেন।
এটা বন্ধ করতে কিছু প্রয়োজনীয় কথা শুনুন - ১)উত্তেজনা উঠার সময় মনেকরুন পার্শে আপনার মা আপনাকে গালি দিচ্ছে। ২)আর এই কাজ আর একবার করলে আপনার ভাগ্যে কোন গার্ল ফ্রেন্ড জুটবেনা।(যদি গার্ল ফ্রেন্ড বা স্ত্রী না থাকে) ৩)অশ্লীল বা অশোভন জিনিস দেখা বাদ দিন। ৪)৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন। ৫)কাজে মনোযোগী হন। আমাদের প্রায় অধিক অংশ ছেলেরা এই খারাপ কাজে মশগুল থাকে। যুব সমাজ ধ্বংসের পেছনে এটার কোন বিকল্প নেই!
জৈবিক চাহিদা মেটানোর সময় শরীর থেকে অনেক ইলেট্রন ও এনার্জি ক্ষয় হয়। ইলেক্ট্রন-এর ঘাটতি মেটানোর জন্য গোসল করা দরকার আর এনার্জি-এর ঘাটতি মেটানোর জন্য ভালো খাবার দরকার। যেমনঃ মধু, দুধ প্রভৃতি। এজন্য যৌন পণ্ডিতগণ এরকম খাবারের ব্যবস্থা না করে সেক্স করতে নিষেধ করেন। তা নাহলে স্বাস্থ্য ভেঙ্গে পড়বে। আর স্বাস্থ্য খারাপ থাকলে মনও খারাপ হবে। অর্থাৎ, সেক্স করার আধা ঘন্টা পরে বা কমপক্ষে ২০ মিনিট পরে ভাল খাবার খেতে হবে এবং তারও ৩০ মিনিট পরে গোসল করতে হবে। যদি শুধু স্বাস্থ্যগত সমস্যা হয় তারা নিয়মিত ভাল খাবার খেয়ে আর এই কাজ ত্যাগ করে স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। আর সমস্যা জটিল হলে ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে হবে। যদি Premature Ejaculation-জনিত সমস্যা হয়, তবে উলট কম্নলের পাতার ডাল ছোট ছোট করে কেটে ১ রাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি ছেঁকে নিয়ে পান করতে হবে (স্বাদ বাড়াতে ইসবগুলের ভুষি মেশাতে পারেন)। এটা একটা প্রাকৃতিক চিকিৎসা।
যে ব্যাক্তি হস্তমৌথুনে অভ্যস্ত,,তার জন্য সেটা ত্যাগ করার একটি মাত্র উপায়,সেটা বিয়ে করা।অন্য কোনো উপায় নেই।আমার যতটুকু ধারনা আছে হস্তমৌথুন করা সম্পর্কে।
আপনি হস্তমৈথুনের মত খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে চাইলে সেজন্য আপনাকে নিচের ধাপ গুলো দেখুন। কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন। মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন। যতটা সম্ভব নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন। ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনেই নেশা থেকে মুক্তি পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। চেষ্টা করে যান। করতেই থাকুন। যে কোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন। কম্পিউটারে পর্ণ দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করলে কম্পিউটার লিভিং রুমে নিয়ে নিন যাতে অন্যরাও দেখতে পায় আপনি কী করছেন। এতে পর্ণ সাইটে ঢোকার ইচ্ছে কমে যাবে। যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের নিয়ে বা পর্ণ মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন৷ হস্তমৈথুনে চরম ভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন। সন্ধ্যার সময়ই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছু করার না থাকলে মুভি দেখুন বা বই পড়ুন। ভিডিও গেম খেলতে পারেন। এটাও হস্তমৈথুনের কথা ভুলিয়ে দেবে। সেক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই এড়িয়ে চলবেন। এধরনের কোন শব্দ বা মন্তব্য শুনবেন না। ছোট ছোট টার্গেট সেট করুন। ধরুন প্রথম টার্গেট টানা দুইদিন হস্তমৈথুন করবেন না। দুইদিন না করে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়াবেন। যখন তখন বিছানায় যাবেন না। কোথাও বসলে অন্যদের সঙ্গ নিয়ে বসুন। যখনি মনে সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হবে, তখনই অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করবেন। বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি সময় কাটান। ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করবেন, আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা ভাববেন। রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই। কোনদিন করেন নাই, এমন নতুন কিছু ভাল কাজ করার চেষ্টা করুন। গার্লফ্রেণ্ড বা প্রেমিকাদের সাথে শুয়ে শুয়ে, নির্জনে বসে প্রেমালাপ করবেন না। ফোনসেক্স এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, সামান্য কষ্টের মাধ্যমে নিজেকে একটু কন্ট্রোল করতে পারলেই আপনি এর থেকে খুব সহজই মুক্তি পাবেন৷
হস্তমৈথুন ছাড়ার টিপস : – কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন। – মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন। নিজের মা বা বোন মনে করবেন। – যতটা সম্ভব নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন। – ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনেই নেশা থেকে মুক্তি পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। চেষ্টা করে যান। – যে কোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন। – কম্পিউটারে পর্ণ দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করলে কম্পিউটার লিভিং রুমে নিয়ে নিন যাতে অন্যরাও দেখতে পায় আপনি কী করছেন। এতে পর্ণ সাইটে ঢোকার ইচ্ছে কমে যাবে। – যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইভ বা মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে্র প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন। কোন সেক্স টয় থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন। – হস্তমৈথুন একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে না। নিজেকে বোঝাবেন যে মাঝে মাঝে করবেন। ঘনঘন নয়। – যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের নিয়ে বা পর্ণ মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলুন। – হস্তমৈথুনে চরমভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন। – সন্ধ্যার সময়ই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছু করার না থাকলে মুভি দেখুন বা বই পড়ুন। – ভিডিও গেম খেলতে পারেন। এটাও হস্তমৈথুনের কথা ভুলিয়ে দেবে। – সেক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই এড়িয়ে চলবেন। এধরনের কোন শব্দ বা মন্তব্য শুনবেন না। – ছোট ছোট টার্গেট সেট করুন। ধরুন প্রথম টার্গেট টানা দুইদিন হস্তমৈথুন করবেন না। দুইদিন না করে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়াবেন। – যখন তখন বিছানায় যাবেন না। কোথাও বসলে অন্যদের সঙ্গ নিয়ে বসুন। – বাথরুম শাওয়ার নেয়ার সময় হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাথরুম থেকে বের হয়ে আসতে চেষ্টা করুন। – যখনি মনে সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হবে, তখনই অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করবেন। – বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি সময় কাটান। – ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। – নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করবেন, আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা ভাববেন। – ফোনসেক্স এড়িয়ে চলুন – অপরের সাহায্য নিতে ভুল করবেন না। রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই। – উপুর হয়ে ঘুমাবেন না। – বিকেলের পরে উত্তেজক ও গুরুপাক খাবার খাবেন না। – গার্লফ্রেণ্ড বা প্রেমিকাদের সাথে শুয়ে শুয়ে, নির্জনে বসে প্রেমালাপ করবেন না।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy