1 Answers
মানচিত্রে শিক্ষার্থীদের প্রদর্শনকৃত অঞ্চল হলো উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকা।
মানচিত্রে দেখানো এলাকার উদ্ভিদকে টিকে থাকতে হলে উদ্ভিদের কোষরসের ঘনত্ব মৃত্তিকা পানির ঘনত্ব থেকে বেশি হতে হবে। প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য উদ্ভিদের বিভিন্ন পরিবর্তনের মাধ্যমে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশলই হলো অভিযোজন।
উদ্ভিদ কোষের রসস্ফীতি বজায় রাখার জন্য মাটি হতে বিভিন্ন প্রকার আয়ন (k', Na') আহরণ করে লবণাক্ততার এ বাধা অতিক্রম করে। কিছু প্রজাতির পাতায় এক ধরনের লবণ জালিকা থাকে যার মাধ্যমে অতিরিক্ত আয়ন বের করে দিতে পারে। আবার কোনো কোনো প্রজাতির উদ্ভিদ পাতার আয়তন বাড়িয়ে শরীরে লবণের ঘনত্ব কমিয়ে নেয়। কিছু গাছের পাতার কোষে অতিরিক্ত আয়ন জমিয়ে রাখার বিশেষ ব্যবস্থা থাকে। কিছু কিছু উদ্ভিদ আছে যার মূলের কোষের রসস্ফীতি বজায় রাখার জন্য কোষগহ্বরে বিভিন্ন প্রকার জৈব দ্রাব জমা করে রাখে।
এভাবেই মানচিত্রে শিক্ষার্থীদের প্রদর্শনকৃত এলাকার বিভিন্ন উদ্ভিদ বিভিন্ন অভিযোজন কলাকৌশল অবলম্বন করে প্রতিকূল পরিবেশে নিজেদের টিকিয়ে রাখে।