1 Answers

রহিমা বেগমের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে।
যোগ্যতা অনুযায়ী পেশা গ্রহণ এবং উপযুক্ত পারিশ্রমিক লাভ করাকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলা হয়। নাগরিকের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা থাকলে তার যোগ্যতা অনুযায়ী উপার্জনের নিশ্চয়তা থাকে। সমাজের অন্য শ্রেণির শোষণ থেকে মুক্ত থাকার জন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতা প্রয়োজন। অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ক্ষেত্রে সমাজের নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্রদের মধ্যে কোনো পার্থক্য সৃষ্টি করা হয় না। সবাই তার যোগ্যতা অনুযায়ী আর্থিক সুবিধা পাবে এটিই অর্থনৈতিক স্বাধীনতার মূল কথা। উদ্দীপকের রহিমা বেগম একটি নির্মাণশিল্পে দৈনিক বেতনে কাজ করেন। কাজ শেষে মজুরি নিতে গেলে তিনি পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায় ৫০ টাকা কম পান। পুরুষকর্মীর তুলনায় রহিমা বেগমের ৫০ টাকা কম পাওয়ার বিষয়টি তার অর্থনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব করেছে। কেননা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতার শর্তমতে একই কাজের জন্য রহিমা বেগমের মজুরি পুরুষ কর্মীর সমান হওয়ার কথা। কিন্তু রহিমা বেগম নারী বলে তাকে কম মজুরি দেওয়া হয়েছে। এটি অর্থনৈতিক স্বাধীনতার পরিপন্থি। তাই বলা যায়, রহিমা বেগমের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে।

4 views

Related Questions