1 Answers
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বাধীনতা রক্ষার উপায় হিসেবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন প্রয়োগ অধিক কার্যকর হবে বলে আমি মনে করি।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যে সামাজিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তা সুস্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন। ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকারসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো প্রত্যেক ব্যক্তির নিজের জীবন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার অধিকার থাকবে। সকলে আইনের দৃষ্টিতে সমান বলে বিবেচিত হবে। নিজ দেশে স্বাধীনভাবে বসবাস ও চলাফেলার সুযোগ থাকবে। প্রত্যেক ব্যক্তিরই জাতীয় অধিকার বজায় থাকবে। কিন্তু জাতিসংঘ ঘোষিত উপরোক্ত মানবাধিকারগুলো থেকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বঞ্চিত হওয়া প্রকারান্তরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের চরম দৃষ্টান্ত। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বাধীনতা রক্ষার জন্য মানবাধিকার সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন।
জাতিসংঘ মানবাধিকারের রক্ষক। এই বিশ্বসংস্থা কর্তৃক গৃহীত উপযুক্ত ব্যবস্থাই হতে পারে মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার বা স্বাধীনতা রক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উদ্যোগ। এক্ষেত্রে জাতিসংঘ মিয়ানমার সরকারকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ দিতে পারে। জাতিসংঘ শান্তিকমিটির মাধ্যমে দাঙ্গাপীড়িত এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাতে পারে। প্রয়োজনে সেই এলাকায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী নিয়োগ করে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে। সর্বোপরি মিয়ানমার সরকারের সাথে কূটনৈতিক মিশনের আলাপ আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে জাতিসংঘ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।