1 Answers
নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে শাহানাজ বেগমের কাঙ্ক্ষিত তথ্য প্রাপ্তি আশাব্যঞ্জক- কথাটি যথার্থ।
অধিকার হলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত কতগুলো সুযোগ-সুবিধা, যা ভোগের মাধ্যমে নাগরিকের ব্যক্তিত্বের পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে। অধিকারের মূল লক্ষ্য ব্যক্তির সার্বিক কল্যাণ সাধন। আর মৌলিক অধিকার হলো, সে সব অধিকার যা ছাড়া নাগরিকের পরিপূর্ণ বিকাশ অসম্ভব।
উদ্দীপকে দেখা যায়, শাহানাজ বেগম তার স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তিনি কাজীর কাছে গিয়ে কাবিননামার কপি ও প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে ব্যর্থ হন এবং তথ্য অধিকার আইনের বদৌলতে পরে তা পান। এর ফলে শাহানাজ তার স্বামীর অত্যাচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন। এভাবে সমাজের প্রত্যেকটি অনাচার, অত্যাচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা আবশ্যক। তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে তা সম্ভব। কোনো সমস্যার বিষয়ে সঠিক তথ্য জানা না থাকলে নাগরিকদের পক্ষে তার সমাধান করা তথা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাপ্তির মাধ্যমেই নাগরিকের মৌলিক অধিকারগুলো প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, তথ্য অধিকার আইনের বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। এ কারণে, নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে শাহানাজ বেগমের কাঙ্ক্ষিত তথ্যপ্রাপ্তি সত্যিই আশাব্যঞ্জক।