1 Answers

শিউলির ন্যায্য দাবি মঞ্জুরের মধ্য দিয়ে সবার সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা পেয়েছে'- আমি এ কথার সাথে একমত।

অধিকার হলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত কতগুলো সুযোগ-সুবিধা, যা ভোগের মাধ্যমে নাগরিকের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে। এর মূল লক্ষ্য ব্যক্তির সার্বিক কল্যাণ সাধন। অধিকার সকল নাগরিকের মঙ্গল ও উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদান করা হয়, যা সকল নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। উদ্দীপকে দেখা যায়, জমির সাহেবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পুরুষদের পাশাপাশি শিউলিসহ কিছু মহিলা একই ধরনের কাজে নিয়োজিত আছে। কিন্তু পারিশ্রমিক প্রাপ্তির বেলায় তাদের মধ্যে বৈষম্য রয়েছে। শিউলি অন্যান্য মহিলার পক্ষ হয়ে পুরুষদের সমান পারিশ্রমিক দাবি করলে জমির সাহেব তাদের ন্যায্য দাবি মেনে নেন। এতে নারী-পুরুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। কেননা, যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করার ও ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকার অর্থনৈতিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। নারী-পুরুষ সকলের সমানভাবে এ অধিকার রয়েছে। সমাজ বা রাষ্ট্রে ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হলে উন্নতি সম্ভব হবে না।

পরিশেষে বলা যায়, রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকার সবার জন্য সমান। এসব অধিকার সমভাবে বণ্টনের মাধ্যমেই সবার সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই বলা যায়, শিউলির ন্যায্য দাবি মঞ্জুরের মধ্য দিয়ে সবার সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

4 views

Related Questions