1 Answers
উদ্দীপকের বর্ণনায় বোঝা যায়, কণার পরিবার একটি মাতৃতান্ত্রিক পরিবার। বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবারের সঙ্গে এ ধরনের পরিবারের ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। এ দেশের অধিকাংশ পরিবার পিতৃতান্ত্রিক। সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই কণার পরিবার ও অন্যান্য পরিবার সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, কণার পরিবারে তার মায়ের কথাই প্রাধান্য পায়। মায়ের মতামতকে সবাই গুরুত্ব দিতে বাধ্য থাকে। কণার পরিবারের এসব বৈশিষ্ট্য মাতৃতান্ত্রিক পরিবারের অনুরূপ। কেননা মাতৃতান্ত্রিক পরিবারের সামগ্রিক ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের ভার মায়ের হাতে এবং মা-ই পরিবারের সর্বময় কর্তা। বাংলাদেশে গারোদের মধ্যে এ ধরনের পরিবার দেখা যায়।
অন্যদিকে, পরিবারের সামগ্রিক ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের ভার পুরুষ সদস্য অর্থাৎ পিতা বা স্বামী কিংবা বয়স্ক পুরুষের উপর ন্যস্ত থাকলে এ ধরনের পরিবারকে পিতৃপ্রধান পরিবার বলে। এ ধরনের পরিবারের বংশ পরিচয় প্রধানত পুরুষ সূত্র দ্বারা নির্ধারিত হয়। বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবার পিতৃতান্ত্রিক। বাংলাদেশের কিছু ক্ষুদ্রজাতিসত্তার মধ্যে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার দেখা যায়। মোট জনগোষ্ঠীর মধ্যে তাদের সংখ্যা কার্যত নগণ্য।
উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, বাংলাদেশে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পিতৃতান্ত্রিক পরিবার লক্ষণীয়, আর এ কারণেই কণার পরিবার ও বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবারের প্রকৃতি একই বলে আমি মনে করি না।