1 Answers
মাছের আহরণকালীন মোট ওজন থেকে মজুদকালীন মোট ওজন বিয়োগ করে মাছের দৈহিক বৃদ্ধি নির্ণয় করা হয়। প্রাপ্ত দৈহিক বৃদ্ধির সাথে মজুদকালীন ওজন যোগ করে মাছের ওজন নির্ণয় করা যায়।। পোনা ছাড়ার পর পুকুরে বিদ্যমান মাছের ওজন নিম্নোক্ত উপায়ে নির্ণয় করা যেতে পারে-
পোনা পুকুরে ছাড়ার পূর্বে নির্দিষ্ট সংখ্যক (যেমন- ৫০টি) মাছের মোট ওজন নির্ণয় করে তার গড় বের করে নিতে হবে। দুই মাস পর জাল টেনে ৫০টি মাছ ধরে পুনরায় ওজন নিয়ে গড় বের করে নিতে হবে। এই দুই ওজনের পার্থক্য থেকে মাছের দৈহিক বৃদ্ধি পাওয়া যাবে। প্রাপ্ত দৈহিক বৃদ্ধির সাথে মজুদকালীন গড় ওজন যোগ করলে একটি মাছের ওজন পাওয়া যাবে। এই ওজনের সাথে পুকুরে বিদ্যমান বা মজুদকৃত মাছের সংখ্যা গুণ করে (যদি কোনো মাছ মারা যায় তবে মৃত মাছের সংখ্যা মোট মজুদকৃত মাছ থেকে বিয়োগ করে নিতে হবে) পুকুরে বিদ্যমান মাছের ওজন নির্ণয় করা যাবে।
অতএব, উল্লিখিত উপায়ে সহজেই পোনা ছাড়ার দুই মাস পর পুকুরে বিদ্যমান মাছের ওজন নির্ণয় করা যাবে।