1 Answers

মাছের আহরণকালীন মোট ওজন থেকে মজুদকালীন মোট ওজন বিয়োগ করে মাছের দৈহিক বৃদ্ধি নির্ণয় করা হয়। প্রাপ্ত দৈহিক বৃদ্ধির সাথে মজুদকালীন ওজন যোগ করে মাছের ওজন নির্ণয় করা যায়।। পোনা ছাড়ার পর পুকুরে বিদ্যমান মাছের ওজন নিম্নোক্ত উপায়ে নির্ণয় করা যেতে পারে-
পোনা পুকুরে ছাড়ার পূর্বে নির্দিষ্ট সংখ্যক (যেমন- ৫০টি) মাছের মোট ওজন নির্ণয় করে তার গড় বের করে নিতে হবে। দুই মাস পর জাল টেনে ৫০টি মাছ ধরে পুনরায় ওজন নিয়ে গড় বের করে নিতে হবে। এই দুই ওজনের পার্থক্য থেকে মাছের দৈহিক বৃদ্ধি পাওয়া যাবে। প্রাপ্ত দৈহিক বৃদ্ধির সাথে মজুদকালীন গড় ওজন যোগ করলে একটি মাছের ওজন পাওয়া যাবে। এই ওজনের সাথে পুকুরে বিদ্যমান বা মজুদকৃত মাছের সংখ্যা গুণ করে (যদি কোনো মাছ মারা যায় তবে মৃত মাছের সংখ্যা মোট মজুদকৃত মাছ থেকে বিয়োগ করে নিতে হবে) পুকুরে বিদ্যমান মাছের ওজন নির্ণয় করা যাবে।
অতএব, উল্লিখিত উপায়ে সহজেই পোনা ছাড়ার দুই মাস পর পুকুরে বিদ্যমান মাছের ওজন নির্ণয় করা যাবে।

4 views

Related Questions

Translations: Bengali to English: বৈশ্বিক মহামারির সময়ে স্থূলতা ও বিষন্নতার হার অনেক বেড়ে গেছে। গবেষকদের মতে, বিষণতার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওজন বাড়লে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে, আরও বিষন্নতা ঘিরে ধরে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বিষন্নতা বেশি দেখা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষন্নতায় ভােগের হার প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। ওজন বৃদ্ধির পরিণতি স্বীকার করতে হয় নারীদের বেশি। অতিরিক্ত মেদ শরীরে হরমােনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ও বিষন্নতা যা মন খারাপের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
1 Answers 7 Views