1 Answers
মহিবুল্লাহ পুকুরে পোনা মজুদ পরবর্তী সময়ে সার প্রয়োগের জন্য সেক্কিডিস্ক ব্যবহার করেন।
এই পদ্ধতির মাধ্যমে পুকুরে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার আছে কি না এবং আরও সার প্রয়োগ করতে হবে কি না সেটা জানা যায়।
সেক্কিডিস্ক পদ্ধতিতে ২০ সেমি ব্যাসযুক্ত টিনের একটি সাদা-কালো থালা সুতা দ্বারা পানিতে ডুবানো হয়। ডুবানোর পর যদি ২৫-৩০ সেমি গভীরতায় থালা দেখা না যায় তবে বুঝতে হবে পুকুরে প্রাকৃতিক খাবার রয়েছে। ৩০ সেমি এর অধিক গভীরতায় যদি সেক্কিডিস্ক দেখা যায় তবে বোঝা যাবে খাবার কম আছে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে পুকুরে প্রয়োজনমতো সার প্রয়োগ করা যায়। পুকুরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্য থাকলে বাইরে থেকে সার প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না।
উক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে সার প্রয়োগ করায় মহিবুল্লাহকে অতিরিক্ত খাদ্য প্রদান করতে হয়নি। এতে অর্থের অপচয় রোধ হয় কিন্তু মাছের উৎপাদন বেশি হয়। অতএব বলা যায়, উপরিউক্ত পদ্ধতিতে মহিবুল্লাহর সার প্রয়োগ অর্থের অপচয় রোধ করার পাশাপাশি মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক।