1 Answers

গ নং উত্তর থেকে পাই, রহিমার BMR হলো ১৬৪৮ ক্যালরি। যেহেতু রহিমা হালকা পরিশ্রমী, সুতরাং তার দৈনিক ক্যালরির চাহিদার পরিমাণ = (১৬৪৮ × ১.৩৭৫) ক্যালরি বা ২২৬৬ ক্যালরি। অর্থাৎ রহিমাকে প্রতিদিন ২২৬৬ খাদ্য ক্যালরি গ্রহণ করতে হবে। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে ২০০০ থেকে ২৫০০ খাদ্য ক্যালরির প্রয়োজন হয়। তবে লিঙ্গ, পরিশ্রমের মাত্রা ইত্যাদির উপর নির্ভর করে ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ কমতে বা বাড়তে পারে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যালরি গ্রহণ করা উচিত। কারণ অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ করলে সেটি মেদ হিসেবে শরীরে জমা হয়। এতে শরীরের ওজন বেড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। আবার প্রয়োজনের তুলনায় কম খাদ্য ক্যালরি গ্রহণ করলে শরীরে না ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন- বিপাক ক্রিয়ার হার হ্রাস পাওয়া, অবসাদ, ইমিউনিটি দুর্বল হওয়া ইত্যাদি। 

তাই ওজন একই রাখতে হলে রহিমাকে ২২৬৬ বা এর কাছাকাছি খাদ্য ক্যালরি গ্রহণ করতে হবে।

5 views

Related Questions

Translations: Bengali to English: বৈশ্বিক মহামারির সময়ে স্থূলতা ও বিষন্নতার হার অনেক বেড়ে গেছে। গবেষকদের মতে, বিষণতার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওজন বাড়লে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে, আরও বিষন্নতা ঘিরে ধরে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বিষন্নতা বেশি দেখা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষন্নতায় ভােগের হার প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। ওজন বৃদ্ধির পরিণতি স্বীকার করতে হয় নারীদের বেশি। অতিরিক্ত মেদ শরীরে হরমােনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ও বিষন্নতা যা মন খারাপের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
1 Answers 7 Views
অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে করোনা শব্দাক্তের এক বছর হবে। গত ৩০ বছরে ক্রমাগত দারিদ্র্য কমছিল। করোনাতে দারিদ্রা বাড়ছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অগণিত মানুষ। এই সংকট মোকাবিলায় প্রধানত ঋণকেন্দ্রিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে, শুধু রণভিত্তিক প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার সম্ভব নাও হতে পারে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না হলে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান ধরে রাখা যাবে না, হবে না নতুন কর্মসংস্থান। ফলে সা চাহিদা বাড়ানো দুরূহ হবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তাই ক্ষণভিত্তিক প্রণোদনার সাথে উৎপাদনশীল খাতেও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views