1 Answers

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে উদ্দীপকে উল্লিখিত ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের শিকার বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা অপরিসীম।
মুক্তিযুদ্ধের মূল নিয়ামক শক্তি ছিল জনগণ। তথাপি, যুদ্ধে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে শিল্পী-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবী, বিভিন্ন সংস্কৃতিকর্মীর অবদান ছিল খুবই প্রশংসনীয়। এমনকি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েও নানাভাবে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছেন। পত্র- পত্রিকায় লেখা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে খবর পাঠ, দেশাত্মবোধক গান, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান, কবিতা পাঠ, নাটক, কথিকা, এম আর আকতার মুকুলের অত্যন্ত জনপ্রিয় 'চরমপত্র' অনুষ্ঠান এবং 'জল্লাদের দরবার' ইত্যাদি মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে। এগুলো রণক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের মানসিক ও নৈতিক বল ধরে রাখতে সহায়তা করেছে, সাহস জুগিয়েছে, জনগণকে শত্রুর বিরুদ্ধে দুর্দমনীয় করেছে। সুরকার আলতাফ মাহমুদ, সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন, সেলিনা পারভীন, চিকিৎসক ডা. ফজলে রাব্বি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন আহমদসহ এমন অগণিত গুণীজনকে হত্যা করেছেন পাকিস্তান বাহিনী। তাদের অমূল্য জীবনের বিনিময়ে এদেশ শত্রুমুক্ত হয়েছে।
উদ্দীপকের বর্ণনায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে সংঘটিত বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে বলা হয়েছে। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বুদ্ধিজীবীদের অবদান কখনোই ভোলার নয়।
তাদের এ আত্মত্যাগ আমাদের যুগে যুগে অনুপ্রাণিত করবে।

5 views

Related Questions