1 Answers

উদ্দীপকের তালিকায় উল্লিখিত বিষয়সমূহ অর্থাৎ জাতীয় স্মৃতিসৌধ, অপরাজেয় বাংলা ও শিখা চিরন্তন লড়াকু বাঙালির চেতনার মূর্ত প্রতীক।
উদ্দীপকের তালিকায় উল্লিখিত প্রথম বিষয়টি হচ্ছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ শহিদদের অমর স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল এটি। স্মৃতিসৌধের সাত জোড়া দেয়াল বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ধারাবাহিক পর্যায়কে নির্দেশ করে। যেমন- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন, ১৯৬২-র শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ। উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে অপরাজেয় বাংলা। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণের প্রতীকী চিহ্ন এ ভাস্কর্য। উদ্দীপকের তালিকায় তৃতীয় বিষয়টি হচ্ছে শিখা চিরন্তন। মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর শহিদদের অমর স্মৃতি চির জাগরুক রাখার জন্য ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিখা চিরন্তন স্থাপিত হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত এ তিনটি বিষয়ই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাসকে নির্দেশ করে।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত তালিকাটি বাঙালির প্রতিবাদী মনোভাব তথা মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াকু চেতনার মূর্ত প্রতীক।

4 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views