1 Answers
তারেকের তালিকাটি সম্পূর্ণ নির্ভুল নয়। কারণ এ তালিকার মধ্যে সি. আর. দাস, সুভাষ বসু এবং শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক সশস্ত্র আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলেন না।
সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন করার যে গোপন তৎপরতার সূত্রপাত ঘটে, তাকেই বাংলার সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন বলা হয়ে থাকে। এ আন্দোলন ধীরে ধীরে বিভিন্ন অঞ্চলে অতর্কিত বোমা হামলা, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারী হত্যা, গেরিলা পদ্ধতিতে খণ্ডযুদ্ধ ইত্যাদি ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রকাশ্যে চলে আসে। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের আগেই বাংলার প্রথম সশস্ত্র আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়ে। এ আন্দোলনে প্রথম পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মধ্যে ছিলেন অরবিন্দ ঘোষ, বারীন্দ্র ঘোষ, ভূপেন্দ্র নাথ দত্ত প্রমুখ। পুলিন বিহারী দাস ছিলেন ঢাকার অনুশীলন সমিতির প্রধান সংগঠক। বাঙালি তরুণেরাও মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে বারবার সশস্ত্র আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে মাস্টারদা সূর্যসেন এবং নারী যোদ্ধা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার-এর নাম উল্লেখযোগ্য।
উদ্দীপকের তারেক সশস্ত্র বিপ্লবের নেতাদের তালিকা প্রস্তুত করতে গিয়ে অরবিন্দ ঘোষ, বারীন্দ্র ঘোষ, ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত, পুলিন বিহারী দাস, প্রীতিলতা ও সূর্যসেনের নামের পাশাপাশি সি, আর, দাস, সুভাষ বসু এবং এ কে ফজলুল হকের নাম উল্লেখ করেছে। কিন্তু এ ব্যক্তিত্রয় এ আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তাই বলা যায়, তারেকের তালিকাটি সম্পূর্ণ নির্ভুল নয়।