1 Answers

আমি মনে করি, প্রেসিডেন্ট হয়ে 'গ' এর মতো আইয়ুব খানও এক অদ্ভুত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
উদ্দীপকের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক 'গ' তার দেশের প্রেসিডেন্ট জনাব 'ক' হোসেনকে অপসারণ করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক লোকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অধিকার রেখে এক ধরণের গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার পর পাকিস্তানের শাসন ও রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন করার উদ্যোগ নেন। তার প্রণীত নির্বাচন কাঠামোর মূলভিত্তি ছিল 'মৌলিক গণতন্ত্র' মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে একধরনের সীমিত গণতন্ত্র, যাতে কেবল নির্দিষ্ট সংখ্যক লোকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অধিকার ছিল। ১৯৫৯ সালে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি হয়। মৌলিক গণতন্ত্রের আওতায় পাকিস্তানের উভয় অংশের ৪০০০০ করে মোট ৮০০০০ মৌলিক গণতন্ত্রী নিয়ে দেশের নির্বাচকমন্ডলী গঠিত হয়। নির্বাচকমন্ডলীর সদস্যরা মৌলিক গণতন্ত্রী বা বিডি মেম্বার ছিল। জনগণের মৌলিক গণতন্ত্রী নির্বাচন করা ছাড়া কোন দায়িত্ব ছিল না। বিডি মেম্বার ছিল প্রকৃত নির্বাচক। তারাই প্রেসিডেন্ট, জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচন করতেন। এই - মৌলিক গণতন্ত্রীদের আস্থা ভোটে আইয়ুব খান ১৯৬০ সালে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি সংবিধান প্রণয়নের ক্ষমতাও লাভ করেন।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের প্রেসিডেন্ট 'গ' এর মতো আইয়ুব খান ও এক অদ্ভুত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

4 views

Related Questions