1 Answers
আমাদের দেশের উন্নয়নে উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি অর্থাৎ রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে বলে আমি মনে করি। শস্য উন্নয়নে, চিকিৎসাক্ষেত্রে, মৎস্য উন্নয়নে, প্রাণীর ক্ষেত্রে এমন কি পরিবেশ সুরক্ষায় অবদান রাখার মাধ্যমে এ প্রযুক্তি দেশের উন্নয়ন ঘটাতে পারে। রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকামাকড় প্রতিরোধী ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। যেমন- বিটি ভূট্টা, বিটি তুলা, বিটি ধান। এসকল ফসল উদ্ভাবনের ফলে কৃষকের ফলন বেড়েছে অনেক গুণ, যা আমাদের দেশের উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখবে বলে আমি মনে করি। এছাড়া ভাইরাল কোট প্রোটিন জিন স্থানান্তরের মাধ্যমে টমেটো মোজাইক ভাইরাস, টোবাকো মোজাইক ভাইরাস প্রতিরোধী ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে ফসলের গুনগত পুষ্টিমানও উন্নয়ন করা হয়েছে। যেমন- ধানে ভিটামিন-এ তথা বিটা ক্যারোটিন জিন স্থানান্তর করা 'হয়েছে। চিকিৎসাক্ষেত্রে এ প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ইস্ট হতে হেপাটাইটিস বি-ভাইরাসের টিকা তৈরি সম্ভব হচ্ছে। E. coli হতে বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করা হচ্ছে ইনসুলিন। এছাড়াও গবাদিপশু যেমন- গরুর দুধে আমিষের পরিমান বৃদ্ধির জন্য Protein-C জিন স্থানান্তর সম্ভব হয়েছে। সুতরাং এ থেকে বলা যায় যে, উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি দেশের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।