1 Answers

উদ্দীপকের উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদে প্রাপ্ত নির্দিষ্ট অঙ্গটি হলো ফুল। ফুল হলো প্রজননের জন্য রূপান্তরিত বিশেষ ধরনের বিটপ এবং উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ। একটি আদর্শ ফুল পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দলমণ্ডল, পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দিয়ে গঠিত। পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক প্রজননে সরাসরি অংশ নেয় এবং অন্যান্য স্তবকগুলো পরোক্ষভাবে প্রজননে সহায়তা করে। দলমণ্ডলের প্রতিটি খণ্ডকে বলা হয় পাপড়ি। এগুলো সাধারণত রঙিন হয়। বিভিন্ন উদ্ভিদের পাপড়ির রং বিভিন্ন হয়। এর ফলে রঙের বৈচিত্র্যতার সৃষ্টি হয়। এসব বিভিন্ন উদ্ভিদের সমারোহে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। আবার সমস্ত জীবজগত উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। আর, উদ্ভিদের বংশবিস্তার নির্ভর করে ফুলের উপর। উদ্ভিদ গ্যাসীয় আদান-প্রদানের মাধ্যমে বায়ুমন্ডলে O₂ ও CO₂ এর অনুপাত ঠিক রাখে। এছাড়া সকল প্রাণী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভর করে। তাছাড়া কোন স্থানের বাস্তুতন্ত্র গড়ে উঠে উদ্ভিদকে কেন্দ্র করে। অর্থাৎ পরোক্ষভাবে ফুল প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় অবদান রাখে। অপরদিকে, নিষেকের পরবর্তীতে ফুলের বিভিন্ন অংশ রূপান্তরিত হয়ে বিভিন্ন অংশ গঠন করে। যেমন- গর্ভাশয় ফলে, ডিম্বক বীজে পরিণত হয়। ফুল, ফল, শস্য, ইত্যাদি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে।

তাই বলা যায়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ফুলের গুরুত্ব অপরিসীম।

5 views

Related Questions

মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সবুজ বনভূমির মাঝে দৃষ্টিনন্দন হ্রদ আর লাল ইটের তৈরি ইমারত ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক করে তুলেছে। পাশাপাশি এ- ক্যাম্পাস ‘সংস্কৃতির রাজধানী' নামেও পরিচিত। এ ছাড়া প্রতি বছর শীতকাল এলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয়গুলো অতিথি পাখিতে পূর্ণ হয়ে যায়। তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস হিসেবেও অনেকে চেনেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসকে ভিত্তি করে নির্মিত কয়েকটি ভাস্কর্য এ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সবুজের মাঝে কংক্রিট বা ব্রোঞ্জে তৈরি ভাস্কর্যগুলো দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হয়ে । এসব ভাস্কর্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পৌছে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে স্মরণ রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক'। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যু – এই শপথে আবদ্ধ থেকে লড়াই করেন। যে অকুতোভয় বীর, তিনিই সংশপ্তক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত, এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাওয়া দেশমাতৃকার এক বীরসন্তানকে। ভাস্কর্যটির নির্মাতা শিল্পী হামিদুজ্জামান খান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের অবয়বে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। আজকের প্রজন্মের কাছে ভাস্কর্যটি যে-কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের অনিঃশেষ প্রেরণা। হিসেবে কাজ করে।
1 Answers 6 Views