1 Answers

মানবদেহের হরমোন নিঃসরণকারী গ্রন্থিগুলোর নাম, অবস্থান, ও নিঃসৃত হরমোনের নামসহ কাজের তালিকা ছকাকারে উল্লেখ করা হলো-

হরমোন গ্রন্থির নামঅবস্থানহরমোনের নামকার্যাবলি
পিটুইটারিমস্তিষ্কের নিচেসোমাটোট্রপিক, গোনাডোট্রপিক ও থাইরয়েড উদ্দীপক হরমোনঅন্যান্য গ্রন্থিকে প্রভাবিত এবং মানবদেহের বৃদ্ধি হরমোন নিঃসরণ করে।
থাইরয়েডট্রাকিয়ার উপরেথাইরক্সিন, ক্যালসিটোনিনমানবদেহে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, বিপাকীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ এবং ক্যালসিয়ামের বিপাকে সহায়তা করে।
প্যারাথাইরয়েডথাইরয়েড গ্রন্থির পেছনেপ্যারাথাইরক্সিনক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহ্যান্সঅগ্ন্যাশয়ের মাঝেইনসুলিন ও গ্লুকাগনরক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
অ্যাড্রেনালকিডনির উপরেঅ্যাড্রেনালিনকঠিন মানসিক ও শারীরিক চাপ থেকে পরিত্রাণে সাহায্য করে।
থাইমাসগ্রীবা অঞ্চলেথাইমোসিনদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিকাশে সাহায্য করে।
গোনাডমেয়েদের ডিম্বাশয় ও ছেলেদের শুক্রাশেয়পুরুষ দেহে টেস্টোস্টেরন টেস্টোস্টেরন এবং স্ত্রী দেহে ইস্ট্রোজেনদেহের পরিণত বয়সের লক্ষণগুলো বিকশিত করতে ভূমিকা রাখে।
4 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views
বৈশ্বিক মহামারির সময়ে স্থূলতা ও বিষণ্নতার হার অনেক বেড়ে গেছে। গবেষকদের মতে, বিষণ্নতার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওয়ান বাড়লে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে, আরও বিদ্যুতা দিয়ে ধরে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বিষণ্নতা বেশি দেখা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষণ্নতায় ভোগের হার প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। এজন বৃদ্ধির পরিণতি স্বীকার করতে হয় নারীদের বেশি। অতিরিক্ত মেদ শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা তাঁদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ও বিষণ্ণতা যা মন খারাপের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। (Translations Bengali to English)
1 Answers 8 Views