1 Answers

উদ্দীপকে আমজাদ সাহেব ও তার ভাইয়ের কর্মকাণ্ডে মধ্যযুগের বাংলার রপ্তানিনির্ভর ব্যবসা বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্যটি ফুটে উঠেছে।

বাংলার কৃষি ও শিল্প পণ্যের প্রাচুর্য এবং বিদেশে এগুলোর ব্যাপক চাহিদার ফলে বিদেশের সাথে বাংলার বাণিজ্যিক তৎপরতা মুসলমান শাসন আমলে অভূতপূর্ব প্রসার লাভ করেছিল। বাংলার বিভিন্ন রপ্তানি পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল সুতি কাপড়, মসলিন, রেশমি বস্ত্র, চিনি, গুড়, আদা ইত্যাদি। কৃষিজাত পণ্যের মধ্যে চাল, তামাক, সুপারি, পাট, ফল ইত্যাদি রপ্তানি হতো। বিবিধ কৃষি ও শিল্পজাত দ্রব্য ছাড়াও বাংলা থেকে লবণ, গালা, আফিম, নানা প্রকার মসলা, ঔষধ ইত্যাদি ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানে এবং বিভিন্ন দেশে পাঠানো হতো। ব্যবসা-বাণিজ্যের সিংহভাগই ছিল রপ্তানি নির্ভর।

উদ্দীপকের আমজাদ সাহেব তার গার্মেন্টস-এ তৈরি পোশাক ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করেন এবং তার ভাই বিভিন্ন কৃষিজাত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করেন। উদ্দীপকের এ বর্ণনা মধ্যযুগের রপ্তানি নির্ভর বাণিজ্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, আমজাদ সাহেব ও তার ভাইয়ের কর্মকাণ্ডে মধ্যযুগের ব্যবসা-বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।

5 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views