1 Answers

ছক 'ক' দ্বারা মধ্যযুগের মুসলমান সমাজের নির্দেশ করা হয়েছে।

মধ্যযুগের মুসলমান সমাজের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য ছিল ধর্মপ্রীতি। এ সময় মুসলমানরা তাদের ধর্মীয় রীতি-নীতি পালনের ব্যাপারে সতর্ক ছিল। মুসলমানদের ঐক্য ও ধর্মীয় চেতনা প্রসারের জন্য তারা এলাকায় মাদ্রাসা, মসজিদ, খানকাহ নির্মাণ করতেন। এ সময় ইসলামী শিক্ষায় অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা সমাজে প্রভাবশালী ছিলেন। মুসলমান সমাজে কতকগুলো ধর্মীয় উৎসবের প্রচলন ছিল, যথা- আকিকা, খতনা, ঈদের নামাজ, জুমার নামাজ, মৃত আত্মার প্রশান্তির জন্য কুরআন পাঠ ও মিলাদ মাহফিল ইত্যাদি। এ সময় সুলতান সুবাদার ও নবাবগণ ধর্মীয় উপলক্ষে জনগণের সান্নিধ্যে আসতেন, যা তাদের উদারতা প্রকাশ করে। মুসলমান সমাজে সুফি ও দরবেশ নামে পরিচিত পিরদেরও যথেষ্ট প্রভাব ছিল। তারা ধর্মশাস্ত্রে সুপণ্ডিত ছিলেন এবং সর্বদা আধ্যাত্মিক সাধনায় নিমগ্ন থাকতেন।

ছক 'ক'-তে সমাজে সুফি ও 'দরবেশের গুরুত্ব, শাসকদের উদারতা, ও গ্রামীণ জীবনে ধর্মীয় উৎসবের কথা বলা হয়েছে, যা পূর্বে আলোচিত মধ্যযুগের মুসলমান সমাজব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, ছক 'ক' দ্বারা মধ্যযুগের মুসলমান সমাজকে নির্দেশ করা হয়েছে।

6 views

Related Questions