1 Answers

হ্যাঁ, আমি মনে করি, স্থাপত্য শিল্পের বিকাশের জন্য এ যুগকে অর্থাৎ শায়েস্তা খানের শাসনামলকে বাংলায় মুঘলদের 'স্বর্ণযুগ' হিসেবে অভিহিত করা যায়। কারণ সেই যুগে বাংলার স্থাপত্য শিল্প ব্যাপক উন্নতি সাধন করেছিল।

সুবাদার শায়েস্তা খানের শাসনামলে বিচিত্র সৌধমালা, মনোরম সাজে সজ্জিত তৎকালীন ঢাকা নগরী স্থাপত্য শিল্পের প্রতি তার গভীর অনুরাগের সাক্ষ্য বহন করে। তার আমলে নির্মিত স্থাপত্য কার্যের মধ্যে ছোট কাটরা, লালবাগ কেল্লা, বিবি পরির সমাধি সৌধ, হোসেনী দালান, সফী খানের মসজিদ, বুড়িগঙ্গার মসজিদ, চক মসজিদ এসব উল্লেখযোগ্য। বস্তুত, ঢাকা ছিল শায়েস্তা খানের নগরী। কেননা অন্যকোনো সুবাদার বা শাসনকর্তা ঢাকায় তার ন্যায় নিজের স্মৃতিকে এত বেশি জ্বলন্ত রেখে যেতে পারেননি।

উদ্দীপকে দেখা যায় রুহী ও অরণী বাংলার একজন সুবাদার সম্পর্কে আলাপ করছিল, যিনি বাংলা থেকে ইংরেজদের বিতাড়িত করেন এবং জনকল্যাণকর কাজে তিনি সমগ্র ভারতবর্ষে বিখ্যাত ছিলেন। লালবাগ কেল্লা তার আমলেই নির্মিত। উদ্দীপকের এ সুবাদারের সাথে আমরা বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খানের সাদৃশ্য খুঁজে পাই।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে, স্থাপত্য শিল্পের বিকাশের জন্য এ যুগকে বাংলায় মুঘলদের 'স্বর্ণযুগ' হিসেবে অভিহিত করা যায়। 

5 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views