1 Answers

জাউদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাগের মতো অঙ্গটি হলো পাকস্থলি। নিচে পাকস্থলিতে খাদ্য পরিপাক প্রণালী দেওয়া হলো - 

খাদ্য মুখগহ্বর থেকে অন্ননালির মধ্য দিয়ে পাকস্থলিতে প্রবেশ করে। পাকস্থলিতে খাদ্য আসার পর অন্তঃপ্রাচীরের গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে গ্যাস্ট্রিক রস ক্ষরিত হয়। এই রসগুলো খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। গ্যাস্ট্রিক রসে প্রধানত হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও পেপসিন নামক এনজাইম থাকে। হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাদ্যে ক্ষতিকর অণুজীবকে ধ্বংস করে এবং নিষ্ক্রিয় পেপসিনকে সক্রিয় পেপসিনে পরিণত করে। এই সক্রিয় পেপসিন আমিষ জাতীয় খাবারকে ভেঙ্গে দুই বা ততোধিক অ্যামাইনো এসিড দ্বারা গঠিত যৌগ-পলিপেপটাইডে রূপান্তরিত করে। পাকস্থলিতে মূলত আমিষজাতীয় খাবারই পরিপাক হয়, কিন্তু শর্করা ও স্নেহজাতীয় খাবার পরিপাক হয় না। কারণ শর্করা ও স্নেহজাতীয় খাবার পরিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইমগুলো পাকস্থলিতে অনুপস্থিত। উপরোক্ত এনজাইমের ক্রিয়া ছাড়াও পাকস্থলির অনবরত সংকোচন ও প্রসারণের কারণে খাদ্য মিশ্রমণ্ডে পরিণত হয়, যা অনেকটা স্যুপের মতো। এটি পরবর্তীতে ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে।

5 views

Related Questions