1 Answers

রহমান সাহেবের সম্প্রতি হৃদরোগ দেখা দিয়েছে। অর্থাৎ তার জন্য উপযুক্ত খাদ্য তালিকাটি হবে হৃদরোগীর জন্য উপযুক্ত খাদ্য তালিকা। 

রহমান সাহেব একজন হৃদরোগী। তার খাদ্য তালিকা এমন হবে যেন তার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য শক্তির চেয়ে বেশি খাদ্য শক্তি গৃহীত না হয় এবং খাদ্য সুষম হয়। লাল চালের ভাত ও ভুসিসহ আটার রুটি রহমান সাহেবের জন্য উপকারী তবে অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে। তাকে খাদ্যে চিনি, লবণ ও ফ্যাটের পরিমান কমাতে হবে। খাবারে বাড়তি টেস্টিং সল্ট, চায়নিজ লবণ খাওয়া যাবে না। মাখন, ঘি, ডালডা, নারকেল, চর্বিযুক্ত বা তৈলাক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। আইসক্রিম, মিষ্টি, ফাস্টফুড, লবণযুক্ত ও লবণে সংরক্ষিত খাবার, বেকারির খাবার, বিভিন্ন ড্রিংস ও কফি ইত্যাদি সব খাবার বাদ দিতে হবে। রহমান সাহেবকে প্রচুর আঁশজাতীয় খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। এজন্য আঁশজাতীয় শাকসবজি ও ফলমূল খেতে হবে। খাদ্য তালিকায় টক জাতীয় ফল রাখতে হবে। একই সাথে রঙিন ও মৌসুমি শাকসবজি এবং ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে- মাছ, চর্বি ছাড়া মাংস, চামড়া ছাড়া মুরগির মাংস, ডিম, ডাল, বাদাম ইত্যাদি,। এছাড়া ননী তোলা দুধ ও এই দুধে তৈরি দই রহমান সাহেবের জন্য উপকারী।

4 views

Related Questions

মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সবুজ বনভূমির মাঝে দৃষ্টিনন্দন হ্রদ আর লাল ইটের তৈরি ইমারত ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক করে তুলেছে। পাশাপাশি এ- ক্যাম্পাস ‘সংস্কৃতির রাজধানী' নামেও পরিচিত। এ ছাড়া প্রতি বছর শীতকাল এলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয়গুলো অতিথি পাখিতে পূর্ণ হয়ে যায়। তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস হিসেবেও অনেকে চেনেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসকে ভিত্তি করে নির্মিত কয়েকটি ভাস্কর্য এ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সবুজের মাঝে কংক্রিট বা ব্রোঞ্জে তৈরি ভাস্কর্যগুলো দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হয়ে । এসব ভাস্কর্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পৌছে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে স্মরণ রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক'। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যু – এই শপথে আবদ্ধ থেকে লড়াই করেন। যে অকুতোভয় বীর, তিনিই সংশপ্তক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত, এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাওয়া দেশমাতৃকার এক বীরসন্তানকে। ভাস্কর্যটির নির্মাতা শিল্পী হামিদুজ্জামান খান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের অবয়বে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। আজকের প্রজন্মের কাছে ভাস্কর্যটি যে-কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের অনিঃশেষ প্রেরণা। হিসেবে কাজ করে।
1 Answers 6 Views