1 Answers

উক্ত সমস্যা তথা নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সমাজে আমার বেশ কিছু ভূমিকা রয়েছে। যেমন- নারীশিক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ, বিধবা ভাতা প্রদান এবং নারীর জন্য ঋণদান কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি সচেতন করতে পারি। নির্যাতন, সহিংসতার ধরন ও প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে তা যথাযথ প্রয়োগ করা হচ্ছে কিনা এবং প্রয়োগ না হলে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। যেমন- পরিবারে ছেলেমেয়ে উভয়কেই পারিবারিক জীবনে নৈতিক মূল্যবোধ গঠন সম্পর্কিত শিক্ষা প্রদান, নারী অধিকার এবং অধিকার সংশ্লিষ্ট আইন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মতৎপরতার সম্প্রসারণ, নারী নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা সহায়তা করা। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে প্রবর্তিত আইন; যেমন- এসিড অপরাধ দমন আইন, 'এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন, যৌতুক প্রতিরোধ আইন, পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, বাল্যবিবাহ অধ্যাদেশ, সন্ত্রাস দমন অধ্যাদেশ এর যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে কিনা আর যদি না হয়ে তবে সকলকে সচেতন করে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করা। সামাজিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করা এবং নারীর বিরুদ্ধে সহিংস ঘটনার প্রভাব প্রচার মাধ্যমে প্রকাশ করে জনমনে সচেতনতা সৃষ্টি করে সহিংসতা প্রতিরোধ করা যেতে পারে। পরিশেষে বলা যায়, সমাজের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি যদি উপরিউক্ত করণীয়সমূহ দায়িত্ব সহকারে যথাযথভাবে পালন করতে পারি তবে উদ্দীপকের ঘটনার ন্যায় আর কোনো নারীকে যৌন হয়রানির শিকার হতে হবে না বলে আমি মনে করি। 

4 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views