1 Answers
উক্ত সমস্যা তথা নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সমাজে আমার বেশ কিছু ভূমিকা রয়েছে। যেমন- নারীশিক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ, বিধবা ভাতা প্রদান এবং নারীর জন্য ঋণদান কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি সচেতন করতে পারি। নির্যাতন, সহিংসতার ধরন ও প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে তা যথাযথ প্রয়োগ করা হচ্ছে কিনা এবং প্রয়োগ না হলে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। যেমন- পরিবারে ছেলেমেয়ে উভয়কেই পারিবারিক জীবনে নৈতিক মূল্যবোধ গঠন সম্পর্কিত শিক্ষা প্রদান, নারী অধিকার এবং অধিকার সংশ্লিষ্ট আইন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মতৎপরতার সম্প্রসারণ, নারী নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা সহায়তা করা। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে প্রবর্তিত আইন; যেমন- এসিড অপরাধ দমন আইন, 'এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন, যৌতুক প্রতিরোধ আইন, পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, বাল্যবিবাহ অধ্যাদেশ, সন্ত্রাস দমন অধ্যাদেশ এর যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে কিনা আর যদি না হয়ে তবে সকলকে সচেতন করে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করা। সামাজিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করা এবং নারীর বিরুদ্ধে সহিংস ঘটনার প্রভাব প্রচার মাধ্যমে প্রকাশ করে জনমনে সচেতনতা সৃষ্টি করে সহিংসতা প্রতিরোধ করা যেতে পারে। পরিশেষে বলা যায়, সমাজের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি যদি উপরিউক্ত করণীয়সমূহ দায়িত্ব সহকারে যথাযথভাবে পালন করতে পারি তবে উদ্দীপকের ঘটনার ন্যায় আর কোনো নারীকে যৌন হয়রানির শিকার হতে হবে না বলে আমি মনে করি।