1 Answers

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতাই যাথেষ্ট নয়।

প্রশ্নোক্ত এ উক্তিটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত পোষণ করি। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল দেশেই কমবেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। তাই ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি কতিপয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারলে আমরা সড়ককে নিরাপদ ও দুর্ঘটনামুক্ত রাখতে পারব। এজন্য আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে। চালক নিয়োগের জন্য উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ যোগ্যতা নির্ধারণপূর্বক নিয়োগ দেওয়া। গাড়ির চালককে ট্রাফিক আইনকানুন ও নিয়মশৃঙ্খলা মেনে গাড়ি চালাতে উদ্বুদ্ধ করা এবং সাইড, সিগন্যাল, গতি মেনে সতর্কভাবে গাড়ি চালাতে গাড়ি চালককে উৎসাহিত করা। বেপরোয়া ও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি না চালানো, গাড়িতে অতিরিক্ত যাত্রী ও মাল পরিবহণ না করা, অন্য গাড়িকে ওভারটেকিং না করার বিষয়ে চালকদের সচেতন এবং আইন মানতে উদ্বুদ্ধ করা। ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য আলাদা লেনের ব্যবস্থা করা। সকল সিগন্যাল পয়েন্টে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল স্থাপন করা। আধুনিক ও মানসম্মত ড্রাইভিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট স্থাপন করা। ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা, কালভার্ট, ব্রিজ সংস্কার ও পুনঃনির্মাণ করে সড়ক নিরাপদ করার পদক্ষেপ গ্রহণ। গাড়ির ছাদে যাত্রী এবং মালপত্র বহন না করা। প্রতিযোগিতা করে গাড়ি না চালানো। রাস্তায় গাড়ি বের করার পূর্বে যান্ত্রিক ত্রুটি পরীক্ষা করে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে দায়িত্ব পালনে সচেতন করা। দূরপাল্লার সড়কের পাশে বাড়িঘর তৈরি এবং হাটবাজার স্থাপন না করা। তাছাড়া সড়কে ধান, পাট শুকাতে না দেওয়া এবং গরু-ছাগল না বাঁধা। ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে দায়িত্বশীল হওয়া। সর্বোপরি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে অ্যালকোহল বা মাদক গ্রহণকারী গাড়ি চালকদের শনাক্ত করা এবং তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রত্যাহার করা।

তাই বলা যায়, এসব পদক্ষেপ যথাযথভাবে গ্রহণ করলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি।

4 views

Related Questions