1 Answers

উদ্দীপকে জঙ্গিবাদকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। জঙ্গিবাদের কারণগুলো ব্যাখ্যা করলে দেখা যায়, অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ধর্মের নামে উগ্রবাদী চেতনা থেকেই মূলত এর উৎপত্তি। আর এক্ষেত্রে ধর্মীয় শিক্ষাকে আবেগপ্রবণ মানুষের সামনে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়। ধর্মীয় বিধিবিধান ও নীতিসমূহকে স্বার্থবাদী গোষ্ঠী বা দল নিজেদের মতো করে বিকৃত করে এসব মানুষের সামনে উপস্থাপন করে। ইসরাইলের ইহুদিরা এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তারা জেরুজালেমকে কেন্দ্র করে ফিলিস্তিনের মুসলিমদের গুলি করে মারছে। তারা হত্যা করছে নারী, শিশু, কিশোর, বৃদ্ধসহ আমজনতাকে। এমনিভাবে ধর্মীয় ইস্যুতে বসনিয়া হারজেগোভেনিয়াতে চালানো হয়েছিল ইতিহাসের বর্বরতম হামলা। হত্যা করা হয়েছিল “কয়েক লক্ষ মুসলিম নারী, শিশুসহ সর্বস্তরের মানুষকে। ধর্ষিত হয়েছিল হাজারও মা বোন। আবার কোনো বিশেষ ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রতি যদি দেশ ও সরকার ক্রমাগত বৈষম্যমূলক আচরণ করতে থাকে এবং ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে তাহলে তাদের মধ্যেও জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটতে পারে। তাই জঙ্গিবাদকে নির্মূল করতে হলে প্রথমে প্রয়োজন সকলের উদার ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির শিক্ষাদান। শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও প্রকৃত তথ্য সন্নিবেশ করতে হবে। কেউ যাতে ধর্মীয় ও গোষ্ঠীগত ইস্যুকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে কাউকে বিভ্রান্ত করতে না. পারে, তার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা ও সহনশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে। ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও রাজনৈতিক পক্ষকে এক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে। তাই উক্ত আলোচনা হতে বলা যায়, উদার ধর্মীয় ও  রাজনৈতিক চেতনাই জঙ্গিবাদ প্রতিরোধের রক্ষাকবচ।

5 views

Related Questions