1 Answers

সারা ও মেঘা মায়ের পাশাপাশি বাবার সাথেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে তাদের আচরণের সুষ্ঠু বিকাশ ঘটেছে। 

জন্মের পরে শিশুর সাথে মায়ের সম্পর্ক তৈরি হতে থাকে। কিন্তু শিশু লালন পালনের সময় মায়ের পাশে বাবার ভূমিকাও কম নয়। কখনো কখনো শিশুর বুদ্ধিবৃত্তীয়, আবেগীয় ও সামাজিক বিকাশে মায়ের চেয়েও বাবা বেশি ভূমিকা রাখে। সারা ও মেঘা মায়ের স্নেহ ভালোবাসার সাথে বাবার সাহচর্যও পরিপূর্ণভাবে পায়। আর এ কারণেই তাদের বেড়ে উঠতে কোনো সমস্যা হয়নি। বাবার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তাদের ইতিবাচক বিকাশে যে ভূমিকা রাখে তা হচ্ছে- 

i. সারা ও মেঘার বুদ্ধিবৃত্তীয়, সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশে বাবা সহায়তা দান করে।

ii. বাবার সময় দেওয়া, স্নেহপূর্ণ সম্পর্ক তাদের আচরণগত সমস্যা হতে দেয় না।

iii. তাদের বাইরের অভিজ্ঞতা হয়।

iv. তাদের অপরাধমূলক কাজ প্রতিরোধে সহায়তা করে। 

উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, সারা ও মেঘার বিকাশে বাবার সান্নিধ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

4 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views