1 Answers

প্রশ্নোক্ত পঙক্তিটি দ্বারা মানবজীবনের ক্ষণস্থায়িত্বকে বোঝানো হয়েছে। শ্রীশঙ্করাচার্য এর প্রণেতা। তিনি জীবনের পরম সত্য উপলব্ধি করে আলোচ্য উক্তিটি করেছেন।

শঙ্করাচার্য ছিলেন পণ্ডিত ব্যক্তি। তাঁর মা কয়েকজন ব্রাহ্মণকে দিয়ে শঙ্করাচার্যের কোষ্ঠী বিচার করে জানতে পারলেন যে, শঙ্করাচার্যের আয়ু খুব স্বল্প। শঙ্করাচার্য নিজেও এ কথা শুনলেন এবং এরপর তাঁর মনে একটা বিরাট পরিবর্তন আসল। তিনি ভাবলেন, ব্রহ্ম সাধানায় বাকি জীবন কাটিয়ে দেবেন। এরপর তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেন এবং একপর্যায়ে তিনি উপলব্ধি করেন যে, জীব ও ব্রহ্মে কোনো পার্থক্য নেই। জীবনের সত্যতা উপলব্ধি করে তিনি বুঝতে পারেন যে, আমাদের জীবন পদ্মপাতার জলের মতোই ক্ষণস্থায়ী। পদ্মপাতার জল যেমন চঞ্চল তেমন আমাদের জীবনও অত্যন্ত চঞ্চল। জীবনের সমাপ্তি ঘটতে পারে যেকোনো সময়। এটাই বাস্তবতা। আমরা বৃথাই শোকাচ্ছন্ন থাকি। মানবজীবনের এ চরম সত্যকেই তিনি তুলে ধরেছেন উদ্দীপকে উল্লিখিত কবিতাংশটি দ্বারা।

4 views

Related Questions