1 Answers
টেক্সিচালকের আচরণে যে গুণটি প্রকাশ পেয়েছে, তা হচ্ছে সততা।
উদ্দীপকের বর্ণনায় আমরা দেখতে পাই, অখিল বাবু টেক্সিযোগে অফিসে যাওয়ার সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফাইলটি টেক্সিতে রেখে নেমে যান। অনেকক্ষণ পর চালক ফাইল দেখে ফাইলের উপর একটি মোবাইল নম্বর দেখে অখিল বাবুকে ফোন করে ফাইলটি ফেরত দেন। টেক্সিচালকের এরূপ কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সততার গুণটি প্রকাশ পেয়েছে এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। কারণ একমাত্র সততা গুণটির দ্বারাই একজনের ফেলে যাওয়া জিনিস আরেকজন ফেরত দেয় যা টেক্সিচালক করেছে। পাঠ্যবইয়ের গরিব কাঠুরিয়া কাঠ কেটে বিক্রি করে তার সংসার চালাতেন। একদিন তিনি বনে গেলেন কাঠ কাটতে। যে ডাল তিনি কাটছিলেন তা ছিল নদীর ওপর। কাঠুরিয়ার অসতর্কতার কারণে ডাল কাটতে কাটতে হঠাৎ তার কুঠারটি নদীর জলে পড়ে হারিয়ে যায়। তিনি মাথায় হাত রেখে চিন্তা করতে লাগলেন কী দিয়ে তিনি চাল, ডাল কিনবেন। এমন সময় নদী থেকে জলদেবতা উঠে এসে তাকে একখানা সোনার কুঠার দিলেন। কিন্তু কাঠুরিয়া জানিয়ে দিলেন এটা তার না। পরে জলদেবতা ডুব দিয়ে রুপার কুঠার এনে দিলেন কিন্তু কাঠুরিয়া আবারও জানিয়ে দিলেন এটা তার না। পরবর্তীতে জলদেবতা লোহার কুঠার আনলেন এবং তাকে দিলেন। কাঠুরিয়া বললেন এটিই তার কুঠার। তখন জলদেবতা কাঠুরিয়ার সততায় মুগ্ধ হয়ে তাকে সবগুলো কুঠারই দিয়ে দিলেন।
উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে, পাঠ্যবইয়ে গরিব কাঠুরিয়ার চরিত্রে যেমন সততার গুণটি প্রকাশ পেয়েছে তেমনি টেক্সিচালকের আচরণেও সততার গুণটি প্রকাশ পেয়েছে।