1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত আবিদের দেশে ইসলামি অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান। কুরআন ও হাদিস ইসলামি অর্থব্যবস্থার মূলভিত্তি। যে অর্থব্যবস্থা ইসলামের নিয়মনীতির আলোকে পরিচালিত হয় তাকে ইসলামি অর্থব্যবস্থা বলে। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় মানুষের জীবনের সামগ্রিক বিষয় আলোচনা করা হয়। আল্লাহপাক মানুষ সৃষ্টি করে মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সব জিনিসপত্র, দ্রব্যসামগ্রী নিয়ামত হিসেবে প্রদান করেছেন। মানুষ আল্লাহ প্রদত্ত এসব বস্তুসামগ্রী ও পরিবেশ-প্রকৃতি ব্যবহার করে ইসলামি শরিয়তের আলোকে অধিকতর সম্পদ সৃষ্টি ও ভোগ করবে- এটাই ইসলামের বিধান এবং ইসলামি অর্থব্যবস্থার মূলকথা। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা স্বীকৃত হলেও যাকাতভিত্তিক হওয়ায় শ্রেণিবৈষম্য ও শ্রমিক শোষণের সুযোগ থাকে না। এছাড়া ইসলামি অর্থব্যবস্থায় উৎপাদন, বণ্টন, বিনিময় ও ভোগের ক্ষেত্রে হালালকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। যেকোনো হারাম দ্রব্যসামগ্রী পরিহার করার নির্দেশ ইসলামে দেওয়া হয়েছে। এই অর্থব্যবস্থা সুদ ও ঘুষের লেনদেনকে হারাম ঘোষণা করেছে। তবে সুদমুক্ত আমানত রাখা ও ঋণ গ্রহণ করার ব্যবস্থাও আছে। উৎপাদক ও ব্যবসায়ী এই ঋণ গ্রহণ করতে পারেন এবং ব্যবসায় থেকে প্রাপ্ত লাভ ঋণদানকারী ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে লভ্যাংশ হিসেবে পরিশোধ করতে পারেন। আর এই সার্বিক অংশটাই ইসলামিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে প্রতিনিধিত্ব করে।

4 views

Related Questions