1 Answers
উদ্দীপকে যে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ করা হয়েছে সেটি হলো জাতিসংঘ।
যুদ্ধ কখনো জাতিতে জাতিতে সংকট নিরসনের পথ হতে পারে না। যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও অশান্তি। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা বা ভয়াবহতা বিশ্ববিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ নামক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দীপকে রাফি ও তার বাবার দেখা। আন্তর্জাতিক সংস্থাটি হলো জাতিসংঘ। শান্তি ভঙ্গের হুমকি, আক্রমণাত্মক প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ বিশ্বব্যাপী কাজ করে যাচ্ছে। পাঁচটি প্রধান অঙ্গ এবং একটি সেক্রেটারিয়েট নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত।
উপরিউক্ত আলোচনা ও উদ্দীপকের বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিশ্চিতভাবে বলা যায়, উদ্দীপকে জাতিসংঘের কথাই বলা হয়েছে।