1 Answers
উদ্দীপকে পলাশ ঋণের অভাব, দক্ষ শ্রমিকের অভাব, পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাব ইত্যাদি প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার প্রভাব সুদূরপ্রসারী।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাত ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। তবে শিল্প খাতের মৌলিক বা ভিত্তিমূলক শিল্প নেই বলে শিল্পখাত খুব দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারছে না। ভারী শিল্প, যেমন- লোহা ও ইস্পাত শিল্প, ভারী যানবাহন শিল্প, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় স্থাপনা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বিষয়ক শিল্প ইত্যাদি প্রয়োজনের তুলনায় এ অত্যন্ত অপ্রতুল। অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতাও শিল্পক্ষেত্রে অগ্রগতির একটি বড় বাধা। প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরের অভাব, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসের উচ্চমূল্য, এগুলো উৎপাদন ও সরবরাহে অপর্যাপ্ততা, রাস্তাঘাট, সেতু ইত্যাদির অপ্রতুলতা ও অনুন্নত অবস্থা নতুন শিল্প স্থাপন ও উৎপাদন বৃদ্ধির বড় প্রতিবন্ধক। এছাড়াও ব্যাংক ঋণ সুবিধা শিল্পখাত উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় ঋণ সুবিধা অপ্রতুল। নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে, এমন ঋণ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ কম। এছাড়া ঋণ ব্যবস্থাপনাও খুব সুষ্ঠু নয়। এ প্রতিবন্ধকতায় পড়তে উদ্দীপকের পলাশকেও পড়তে দেখা যায়। পাশাপাশি তিনি দক্ষ জনশক্তি সংকটেও পড়েন। ফলে তিনি তার কারখানাটি বড় করতে পারছেন না। আবার দক্ষ লোকের অভাবে অধিক উৎপাদনও সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করলেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।
তাই বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পলাশ যেসব প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছে তার যথেষ্ট নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে।