1 Answers
উক্ত অনুচ্ছেদের আলোকে তরুণ যে গ্রন্থের জ্ঞান লাভ করে তা হলো উপনিষদ। এ গ্রন্থের গুরুত্ব অপরিসীম।
সাংসারিক জীবনের ধন, মান, প্রতিপত্তির প্রতি বীতস্পৃহ এবং সম্পূর্ণ উদাসীন এক শ্রেণির লোকই জীবনের প্রকৃত গূঢ় অর্থ নির্ধারণে উৎসুক হয়ে সংসার ত্যাগপূর্বক অরণ্যে বসে গভীর ধ্যান- ধারণা করতেন, তাঁদের চিন্তা প্রসূত উক্তিগুলোই উপনিষদে স্থান পেয়েছে। তাঁদের শিষ্য-প্রশিষ্যেরা তাঁদের পাদপ্রান্তে বসে শিক্ষালাভ করতেন এবং নিজেরাও গুরুর নিকট লব্ধ জ্ঞানের ও সাধনার অনুশীলন করে এ চিন্তাধারার উৎকর্ষ সাধন করেন। উপনিষদের শিক্ষা মানুষকে জীবন বিমুখ করে না, বরং পরিপূর্ণ জীবনের কথা বলে, যে জীবন জ্ঞান, কর্ম ও ভক্তি বা প্রেমের দ্বারা ব্রহ্মের সাথে- সর্বদাই যুক্ত। ব্রহ্মই সত্য, এ জগৎ মিথ্যা, জীব ব্রহ্ম ছাড়া কিছুই নয়। জগতের সবকিছুই ব্রহ্মময়। উপনিষদের এ উপলব্ধি থেকে বিশ্বব্রহ্মান্ডের যা কিছু আছে সবই ব্রহ্মের সাথে এক করে।