1 Answers
হ্যাঁ, অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় অংশের আলোকে 'ক' নামক রাষ্ট্রকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বলা যায়।
জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কাজ রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক বা গৌণ কাজ। একে কল্যাণমূলক কাজও বলা হয়। রাষ্ট্রের জনগণকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলা রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। শিক্ষিত জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ। শিক্ষিত জনগোষ্ঠী তাদের অধিকার-কর্তব্য সম্পর্কে সজাগ থাকেন এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হন। এজন্য বিনামূল্যে বই বিতরণ, বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করার মাধ্যমে রাষ্ট্র শিক্ষার ওপর অধিক জোর দিয়ে থাকে এবং শিক্ষাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌছে দেয়। বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, নারী শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা প্রভৃতির মাধ্যমে নিরক্ষরতা দূরীকরণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সামাজিক নিরাপত্তা বিধান, জনস্বাস্থ্য রক্ষা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জনগণের স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক সমস্যা বিলোপ প্রভৃতি রাষ্ট্রের কল্যাণমূলক বা সেবামূলক ঐচ্ছিক কার্যাবলি। যে রাষ্ট্রে কল্যাণমূলক কার্যক্রম যত বেশি বিস্তৃত, সে রাষ্ট্র তত আদর্শ। অনুচ্ছেদের ২য় অংশে 'ক' রাষ্ট্রটি নারীর অধিকার আদায়, যৌতুক প্রথা নিরোধ ও শিক্ষা বিস্তারসহ বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য আইন প্রণয়নের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করে। তাই এটি একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র।