1 Answers
গৌরবের অনুশীলনকৃত আসনের প্রভাব লক্ষ করে বোঝা যায় যে, সে বৃক্ষাসন অনুশীলন করছে।
আসন নানা ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- পদ্মাসন, সুখাসন, গোমুখাসন, হলাসন ইত্যাদি। এ আসন অনুশীলনের মাধ্যমে যোগীপুরুষ নিজ দেহ ও মনকে ঈশ্বর চিন্তায় নিবিষ্ট করার যোগ্যতা অর্জন করেন। উদ্দীপকের গৌরব নিয়মিত যে আসন অনুশীলন করেন সেটির কারণে সে আগের তুলনায় সুন্দরভাবে হাঁটতে পারে এবং তার রক্তে চর্বি জাতীয় পদার্থের পরিমাণও এখন প্রায় শূন্য। এসব প্রভাব বৃক্ষাসন অনুশীলনের ফলেই হয়ে থাকে।
বৃক্ষাসন নিয়মিত অনুশীলন করলে-
১. শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষমতা বাড়ে।
২. পায়ের পেশির দৃঢ়তা ও স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায়।
৩. পায়ে জোর পাওয়া যায়, চলাফেরা করার ক্ষমতা বাড়ে।
৪. উরুর সংযোগস্থলের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৫. কোমরের ও মেরুদণ্ডের শক্তি বৃদ্ধি পায়।
৬. হাতের ও পায়ের গঠন সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়।
৭. হাঁটু, কনুই, বগল সমস্ত স্নায়ুতন্ত্রীতে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় ও গ্রন্থি সবল, নমনীয় হয়।
৮. পায়ের ব্যথায় বিশেষ উপকার পাওয়া যায় এবং পায়ে কোনোদিন বাত হতে পারে না।
৯. যাঁদের হাত-পা কাঁপে, পা দুর্বল তাঁদের খুব উপকার হয়।
১০. রক্তে অত্যধিক কোলেস্টেরল থাকার দরুন বা অন্য কোনো কারণে পায়ের ধমনীতে যে শক্ত হলদে চর্বিজাতীয় পদার্থ জমে, যাকে অ্যাথেরোমা বলে, তা রোধ হয়। ফলে থ্রম্বোসিস হতে পারে না।