1 Answers
উক্ত পরিস্থিতি তথা ভূমিকম্প মোকাবিলায় আশিক বেশকিছু পদক্ষেণ গ্রহণ করতে পারে।
যেমন- ভূমিকম্প এমন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা সরাসরি পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকে না। অতি অল্প সময়ের মধ্যে এবং ক্ষুদ্র সময়ব্যাপী এটি সংঘটিত হয় বলে এর পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য পূর্বপ্রস্তুতি দরকার। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য ভবন নির্মাণের সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মাটির দেয়াল দিয়ে কোনো ঘর নির্মাণ করা হলেও এর ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই এরূপ ঘরের কোনাকুনি বাঁশের আড় দিতে হবে। এছাড়া সেমিপাকা ঘরেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যদিকে, ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ব্যক্তিগত পর্যায়ে আশিক কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। ভূমিকম্প পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সে ব্যাটারিচালিত একটি টর্চ ও রেডিও সাথে রাখতে পারে। প্রাথমিক চিকিৎসার আবশ্যক উপাদানগুলো প্রস্তুত রাখা উচিত। একইভাবে বাড়ির গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির লাইনের মেইন সুইচ কোথায় এবং কীভাবে তা কাজ করে, এ বিষয়ও জেনে রাখা দরকার। বাড়ির সুরক্ষিত স্থানটি চিহ্নিত করে রাখতে হবে। হাসপাতাল, দমকল বাহিনী, পুলিশ ইত্যাদি বাহিনীর, ফোন নাম্বার সাথে রাখা উচিত। ভূমিকম্প শুরু হলে কীভাবে নিরাপদ থাকা যায়, সে সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
উপরিউক্ত আলোচনার মাধ্যমে বলতে পারি, এরূপ মৌলিক বিষয়গুলো আশিকের মতো প্রত্যেকেরই জানা থাকা উচিত।