1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত জহির ও তার বাবার কথোপকথনে যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ইঙ্গিত পাওয়া যায় তা হলো ভূমিকম্প।
উদ্দীপকে জহির বাবার সাথে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোতে মাঝে মাঝে ফাটল দেখে তার বাবার কাছে জিজ্ঞেস করলে বাবা বলেন, মাটির অভ্যন্তরীণ গঠন কাঠামোর কারণে এমনটি হয়ে থাকে। যা দ্বারা ভূমিকম্পকেই বোঝানো হয়েছে।
কখনো কখনো ভূপৃষ্ঠের কতক অংশে হঠাৎ কোনো কারণে কেঁপে ওঠে। এ কম্পন অত্যন্ত মৃদু থেকে প্রচণ্ড হয়ে থাকে যা মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়। ভূপৃষ্ঠের এরূপ আকস্মিক ও ক্ষণস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প বলে। উদ্দীপকের জহির ও তার বাবা পাহাড়ের মাঝে মাঝে ফাটল লক্ষ করে। জহির তার বাবার কাছে এর কারণ জানতে চাইলে তিনি মাটির অভ্যন্তরীণ কিছু গঠন ও কাঠামোর পরিবর্তনকে এর জন্য দায়ী করেন। এটি মূলত ভূমিকম্পকে নির্দেশ করে। ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে ভূপৃষ্ঠে আনুভূমিক পার্শ্বচাপের প্রভাব পড়ে। ফলে এটি কুঁচকে ভাঁজের সৃষ্টি হয়। ভূমিকম্পের ফলেই ভূত্বকে অসংখ্য ফাটল এবং চ্যুতির সৃষ্টি হয়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত জহির ও তার বাবার কথোপকথনে ভূমিকম্প নামক প্রাকৃতিক দুর্যোগেরই ইঙ্গিত পাওয়া যায়।