1 Answers

দৃশ্যকল্প-১ এর বিষয়টি সুখবিহারী জাতকের কাহিনীকে ইঙ্গিত করে। পুরাকালে বারানসীরাজ ব্রহ্মদত্তের সময় বোধিসত্ত্ব উদীচ্য ব্রাহ্মণকুলে জন্মগ্রহণ করেন। পরে তিনি হিমালয়ে চলে যান এবং প্রব্রজ্যা গ্রহণ করেন। একবার রাজার অনুরোধে তিনি বারানসীতেই থেকে যান। বোধিসত্ত্ব জ্যেষ্ঠ শিষ্যকে পাঁচশত শিষ্যের দেখাশোনার বার দিয়ে হিমালয়ে চলে যেতে বলেন। জ্যেষ্ঠ শিষ্য একবার গুরুদেবকে বন্দনা করার জন্য বারানসীতে যান। সেখানে গিয়ে গুরুদেবকে বন্দনা করে মাদুর পেতে শুয়ে পড়েন। ঠিক এ সময় তপস্বীর সঙ্গে দেখা করার জন্য রাজা সেখানে উপস্থিত হলেন। তপস্বীকে বন্দনা করে একপাশে তিনি উপবেশন করলেন। কিন্তু নবাগত তপস্বী রাজাকে দেখেও বিছানা ছেড়ে উঠলেন না। তখন রাজা ভাবলেন, তপস্বী বোধ হয় তাঁকে অবজ্ঞা করছেন। নবাগত তপস্বীর এমন আচরণ দেখে রাজা রেগে গেলেন।

তখন বোধিসত্ত্ব বললেন, মহারাজ, এই তপস্বী আগে আপনার মতো রাজা ছিলেন। কিন্তু তপস্বী হয়ে এখন যে সুখ পেয়েছেন রাজ্যসুখ ভোগ করার সময় তা পাননি। রাজসুখ তাঁর কাছে তুচ্ছ মনে হচ্ছে। প্রব্রজ্যা গ্রহণ করে ধ্যান-সমাধির বিমল সুখে তিনি বিভোর। সেজন্যই হৃদয়ের উচ্ছ্বাসে এ রকম বলেছেন।

নবাগত তপস্বীর মতো দৃশ্যকল্প- ১এ উল্লিখিত শিক্ষার্থী ধ্যান-সমাধির সুখে বিভোর ছিলেন। এজন্য তার বসে থাকার কারণ হিসেবে শ্রেণি শিক্ষক বলেছেন, সে চিত্ত সুখে মগ্ন। শিক্ষার্থীর এই ঘটনাটি সুখবিহারী জাতককেই নির্দেশ করে।

5 views

Related Questions