1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত তারিখ ২৫শে মার্চ উভয় গোলার্ধে দিবা- রাত্রির দৈর্ঘ্য একইরূপ হবে না।
পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফলে একই স্থানে বছরের বিভিন্ন সময় দিবারাত্রির দৈর্ঘ্যের তারতম্য হয়। আবার একই সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানেও দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্যের পার্থক্য হয়। এক্ষেত্রে সূর্য কোনো স্থানে কীভাবে কিরণ দিচ্ছে তার উপর দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্য কেমন হবে সেটা নির্ভর করে। ছকে দেখা যায়, A ও B এবং অক্ষাংশ যথাক্রমে ২০০ উত্তর এবং ৬০০ উত্তর। এক্ষেত্রে বোঝা যায়, এ দুটি স্থান উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। ২২ ডিসেম্বরের পর পৃথিবী আপন কক্ষপথে আরও অগ্রসর হলে উত্তর মেরু ক্রমশ সূর্যের নিকট আসে এবং দক্ষিণ - মেরু সরে যায়। এতে উত্তর গোলার্ধে দিন বড় ও রাত ছোট হয়, অবশেষে ২১শে মার্চ পৃথিবী আপন কক্ষপথের এমন স্থানে পৌঁছে যেখানে উভয় মেরু সূর্যের সমান দূরত্বে অবস্থান করায় দিন-রাত্রি সমান হয়। ২১শে মার্চের পর থেকে পৃথিবী আপন কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে ২১শে জুনের অবস্থায় ফিরে যায়। ২০° উত্তর অক্ষাংশে সূর্য - লম্বভাবে কিরণ দেয়। সুতরাং ৬০০ অক্ষাংশে সূর্য কিছুটা তীর্যকভাবে পড়বে। যেহেতু ২১শে মার্চ দিন বড় ও রাত ছোট হবে। সুতরাং ৬০০ অক্ষাংশে দিন তুলনামূলক ছোট হবে এবং রাতের দৈর্ঘ্য বড় হবে।
উপরিউক্ত আলোচনায় বলা যায়, ২৫শে মার্চ তারিখে A ও B স্থান দুটির দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্য ২১শে জুনের তুলনায় খুব বেশি হেরফের হবে না।