1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X' দ্বারা ইঙ্গিতকৃত গতিকে আহ্নিক গতি বলা যায়।

আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে একটি নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার পথে নির্দিষ্ট দিকে নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে। আর এ আহ্নিক গতির ফলে দিনরাত্রি সংঘটিত হয়, সময় গণনা বা সময় নির্ধারণ করা যায়। জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয় এবং তাপমাত্রার তারতম্য হয়। পৃথিবীর পর্যায়ক্রমিক আবর্তনের ফলে আলোকিত দিকটি অন্ধকারে আর অন্ধকারের দিকটি সূর্যের দিকে যা আলোতে চলে আসে। ফলে দিনরাত্রি পাল্টে যায়। আহ্নিক গতির ফলেই জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হচ্ছে। আমরা দেখি প্রতিদিন জোয়ার-ভাটা একই সময়ে হচ্ছে না। আজকে জোয়ার যে স্থানে যে সময়ে হচ্ছে পরের দিন সেই সময়ে না হয়ে তার ৫২ মিনিট পরে হচ্ছে। এই যে সময়ের ব্যবধান সেটা আহ্নিক গতির কারণেই হচ্ছে। আহ্নিক গতির ফলে সময়ের হিসাব করতে সুবিধা হয়। এছাড়াও দিনের বেলায় সূর্যের কিরণ থাকার কারণে তাপমাত্রা বেশি থাকে। রাত হলে তাপ বিকিরণ করে তাপমাত্রা কমে যায়। যদি আহ্নিক গতি না থাকত তাহলে এভাবে দিনের পর রাত আসত না এবং তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি হতো না। এ তাপমাত্রার তারতম্য হলো আহ্নিক গতির একটি ফল।

5 views

Related Questions