1 Answers

উদ্দীপকে নূপুরের জীবনে বিশেষ দিনের অনুষ্ঠানটি হচ্ছে 'বিবাহ'। নূপুরের লেখাপড়া শেষ। নূপুরের বাবা মেয়েকে সংসারী করতে চান। হঠাৎ তিনি একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মেয়েকে নতুন কাপড়, স্বর্ণালংকার দ্বারা সজ্জিত করেন। নিকট আত্মীয়স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী সকলের উপস্থিতিতেই উপযুক্ত ছেলের হাতে মেয়েকে তুলে দেন। হিন্দুধর্মের নিয়মানুসারে পালিত দশবিধ সংস্কারের মধ্যে বিবাহ শ্রেষ্ঠ। বিবাহ মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় ও পূর্ণময় করে তোলে। বিবাহ একটি পবিত্র কাজ। বাবা-মায়ের আর্শীবাদ ছাড়া বিবাহিত জীবন সুখের হয় না। বিবাহের সময় অগ্নিকে স্বাক্ষী করে বিবাহ দেওয়া হয়। স্ত্রীকে বাদ দিয়ে পুরুষের। কোনো ধর্মচর্চাই পূর্ণতা পায় না। স্ত্রী হলেন পুরুষের সহধর্মিনী। স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ধর্মচর্চা করলে তবেই সে ধর্মচর্চা পূর্ণতা লাভ করে। তাই বলা হয়েছে, পতির পূণ্যে সতীর পূণ্য, অর্থাৎ সতীকে পূর্ণবতী হতে হলে তার পতিকে আগে পূণ্যবতী হতে হবে। ধর্মচর্চায় স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পরিপূরক। পাশাপাশি বিবাহ মানুষের জীবনকে পূর্ণময় করে। মন্ত্রপাঠের মাধ্যমে স্বামী স্ত্রী উভয়ে একে অপরের জীবনযাপনের পরিচর্যা ও ভালোলাগার দায়িত্ব পায়। একটি পরিবারের সাথে অপর পরিবারের সামাজিক সম্পর্ককেও ঘনিষ্ঠ করে তোলে।

উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, উদ্দীপকে নূপুরের জীবনের বিশেষ দিন বিবাহ অনুষ্ঠানটির গুরুত্ব অপরিসীম।

4 views

Related Questions