1 Answers
উদ্দীপকের ২য় অংশে দ্বিতীয় বিপ্লব কর্মসূচি প্রবর্তনের কথা বলা হয়েছে।
যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের দায়িত্ব নিয়েই শুরু হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসন আমল। একে একে বঙ্গবন্ধু দেশ গঠনে কার্যকারী সব পরিকল্পনা হাতে নেন। মুক্তিযুদ্ধের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ যখন ব্যস্ত, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য ও তেলের মূল্যবৃদ্ধি পায়। ১৯৭৩-১৯৭৪ সালে বন্যায় দেশে খাদ্যোৎপাদন দারুণভাবে ব্যাহত হয়। এসবের ফলে দেশে খাদ্য সংকট সৃষ্টি হয়। সর্বোপরি দেশের অভ্যন্তরে মজুদদার, দুর্নীতিবাজ এবং ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী তৎপর হতে থাকে। বঙ্গবন্ধুর সরকার জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং শোষণহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টিসহ বিভিন্ন দল নিয়ে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠন করে। গণমানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু নতুন একটি ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ নেন। এটিকে জাতির জনক 'দ্বিতীয় বিপ্লব' বলে অভিহিত করেন। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সাল পর্যন্ত বকেয়া সুদসহ কৃষি জমির খাজনাও মওকুফ করে দেন। অতএব একবাক্যে বলা যায়, উদ্দীপকের ২য় অংশে দ্বিতীয় বিপ্লব কর্মসূচির কথাই বলা হয়েছে।