1 Answers
দুঃখকষ্ট সম্পর্কে রিপনের বক্তব্যে ইতিবাচক দুঃখকাতার আকার পেয়েছে। উঃখমন্ত্রণার ক্ষেত্রে রিপনের মনোভাব ব্যাখ্যা করা হলো- দুঃখকষ্ট নাভাব পোষণ করতে পারি। অর্থাৎ দুঃখকষ্ট তেপর্কে ইতিবাচক মনোভাব সম্পকেকের কথা থেকেও সম্পর্কিত ইতিবাচক যাচাই করার জন্য এখন যে অগ্নিকার চলছেন অতে তোমরা আশ্চর্য মনোভাব সম্পর্কে শিখতে পারি। তিনি বলেন, তোমাদের যাচাই এতে তোমরা খ্রিষ্টের দুঃখযন্ত্রণার যতখানি অংশীদার হয়ে উঠছ, হয়ো না; মনে করো না তোমাদের উপর অদ্ভুত কিছু ঘটছে। বরার দিনেও তোমরা গভীর আনন্দেই অনভিষিততে পান। মানুষ যদি মন্ত্রকে আানি আনন্দিত হও, যাতে তার সেই মহিমা প্রকাশের মরা, কেননা তখন তোমাদের উপর যে অধিষ্ঠিত রয়েছেন সেই মহিমাময় আমের জন্য তোমাদের অপমান করে, তাহলে যদি দুঃখযন্ত্রণা পায়, তবে সে যে তা পাচ্ছে, খুনি, চোর, অনাচারী বা পরাধিকার চর্চাকারী বলেই, এমনটি যেন কখনো না হয়। কিন্তু কেউ যদি খ্রিষ্টান বলেই দুঃখযন্ত্রণা পায়, তাহলে সে যেন তার জন্য কোনে কার চর্চাকারী বলেই, এমনটি যেন কখনো না হয়। পরিচিত, তার জন্য সে যেন পরমেশ্বরের স্তুতি-বন্দনাই করে। আসলে এইতো সেই বিচার শুরু হওয়ার সময় আর তা শুরু হচ্ছে, পরমেশ্বরের আপনজন যারা তাদেরই বিচার দিয়ে। আমাদের বিচার দিয়েই যখন বিচারের কাজ শুরু হলো, তখন যারা পরমেশ্বরের মঙ্গলসমাচার মানতে চায় না; না জানি কী হবে তাদের পরিণাম। শাস্ত্রে আছে, ধার্মিকের পক্ষে পরিত্রাণ পাওয়া যদি এত কঠিন হয়, তাহলে ভক্তিহীন পাপী মানুষের কী দশাটাই না হবে! তাই পরমেশ্বরের ইচ্ছায় যারা দুঃখযন্ত্রণা পায়, তারা সৎ জীবনযাপন করে চলুক আর এভাবে তারা, সেই পরম বিশ্বস্ত স্রষ্টা যিনি, তারই হাতে সঁপে দিক নিজেদের প্রাণ।
উদ্দীপকের রিপন তার রোগ সম্পর্কে হতাশ না হয়ে মহান ঈশ্বরের উপর নির্ভর করে চলেন। তিনি মনে করেন, কষ্টের সময় আমরা ঈশ্বরকে বেশি স্মরণ করি। ঈশ্বরও আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
মূলকথা: দুঃখকষ্ট সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব।