1 Answers
উদ্দীপকে প্রীতম শ্রেণিক্যাপ্টেন না হতে পেরে হিংসার বশবর্তী হয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে। এর মধ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রীতমের অবাধ্যতা প্রকাশ পায়। এ ধরনের আচরণ অযৌক্তিক।
কোনো পরিবার, সামাজিক বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, এমনকি রাষ্ট্র সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য একজন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের উপর দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। কর্তৃপক্ষের প্রতি বাধ্যতা স্বাধীনতারই অংশ। এ বাধ্যতা আমাদের স্বাধীন সত্তা থেকে আসে। এটি যদি সহজভাবে আমাদের অন্তর থেকে না আসে, তবে সেখানে প্রকৃত শান্তি থাকতে পারে না। আমরা সইচ্ছায় ও মুক্ত অন্তরে আমাদের পরিবারের কর্তা, তিনি পিতা বা মাতা যে-ই হোন না কেন, যেন তাঁর প্রতি বাধ্য থাকি। একইভাবে সামাজিক, ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় প্রধানদের প্রতিও আমাদের বাধ্য হবে স্বেচ্ছায় ও খোলা মনে।
পরিবারে প্রতিজন ব্যক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শিক্ষার্থী, সমাজে প্রতিজন সদস্য, দেশের প্রতিজন নাগরিক যদি এভাবে স্বেচ্ছায় ও খোলা মনে তাদের পরিচালক ও নেতাদের পরিচালনাধীনে চলে ও বাধ্য থাকে তাহলে সে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ, রাষ্ট্র ও ধর্মীয় প্রতষ্ঠিানে সব সদস্যের মধ্যে একতা ও শান্তি বিরাজ করে। উদ্দীপকে প্রীতম তার স্কুলের বা ক্লাসের কর্তৃপক্ষের প্রতি বাধ্য থাকেনি, বরং সে শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে জোরে জোরে চিল্কার করা, বাইরে ঘোরাফেরা করা, মিথ্যা বলাসহ আরও নানা ধরনের বিরক্তিকর কাজে লিপ্ত।
সুতরাং প্রীতমের আচরণ কর্তৃপক্ষের প্রতি বাধ্য থাকার অন্তরায়।
মূলকথা: কর্তৃপক্ষের প্রতি সবার বাধ্য থাকা উচিত।