1 Answers

'শপথের চিঠি' বলতে কবি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় শ্রমজীবী মানুষের জাগরণের বাণীবদ্ধ চিঠিকে বুঝিয়েছেন। 

'রানার' কবিতায় সমাজে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্যের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। রানার এখানে অসাম্য ও অমানবিকতার শিকার। রানার সামান্য বেতনে অসামান্য দায়িত্ব পালন করে। রাতের বেলা সবাই যখন আরামে নিদ্রা যায়, সে তখন লণ্ঠন জ্বেলে খবরের বোঝা হাতে শহরের দিকে ছুটে চলে। ক্ষুধার ক্লান্তিতে ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায়, তবু সে ছুটে চলে। গভীর রাতে পথের দস্যু অপেক্ষা তার সূর্য ওঠার ভয় বেশি। শ্রমজীবী মানুষের এমন দুঃখময় জীবনের অবসানকল্পে কবি এখানে তাদের জাগরণ প্রত্যাশা করেছেন। জেগে উঠলেই তারা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। কবি তাই নতুন দিনের নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য 'শপথের চিঠি' তথা বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার চেতনা নিয়ে রানারকে এগিয়ে যেতে বলেছেন।

4 views

Related Questions